সৌরভ দত্ত, কলকাতা:
ভোটের সময়ে ইভিএম সংক্রান্ত ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত পোস্টের জন্য কলকাতা পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা গর্গ চট্টোপাধ্যায়।
সাইবার ক্রাইম থানার কর্মকর্তারা তাকে গ্রেফতার করেছেন জানা যাচ্ছে। দেশপ্রিয় পার্কের কাছে তাকে আটক করা হয়েছে। বুধবার গর্গকে আদালতে হাজির করা হবে। এই বিষয়ে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, তাদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ভূত কার্তুজ সম্পর্কে ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে। পুলিশের সিজার লিস্টে কোনো অস্ত্র বা কার্তুজের উল্লেখ নেই।
গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ হচ্ছে, ভোটের দিন তিনি ইভিএম নিয়ে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছেন। এ সম্পর্কে কলকাতা উত্তরের ডিইও থানায় অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গর্গকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গর্গ ইভিএমের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ২৩ এপ্রিল, यानी প্রথম দফায় ভোটগ্রহণের দিন বহু কেন্দ্রে ইভিএম সমস্যার কারণে ভোট শুরু হতে বিলম্ব ঘটে। এ সম্পর্কে গর্গ ফেসবুকে লিখেছিলেন, রাতের পরীক্ষার পর কেন সকালে ইভিএমে সমস্যা হল? ভোটারদের পরামর্শ দিয়েছিলেন, ভোট দিয়ে বের হওয়ার সময় ভিভিপ্যাট স্লিপ ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। গণনার দিন আবার গর্গ চট্টোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পোস্ট করেছিলেন, যে কমিশন গোপন পরিকল্পনা আঁটছে।
নির্বাচন চলাকালীন বিভিন্ন পোস্ট করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে উত্তর কলকাতার নির্বাচনী আধিকারিক অভিযোগ দায়ের করেন। সেই ভিত্তিতেই মঙ্গলবার গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্র জানাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে তাকে লালবাজারের লক-আপে রাখা হবে। বুধবার আদালতে হাজির করা হবে।
তৃণমূল শাসনের সময় গুলিতে আহত বিজেপি নেতা, পদ্ম সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিবারের সিবিআই তদন্তের দাবি।
তৃণমূল শাসনের সময় গুলিতে আহত বিজেপি নেতা, পদ্ম সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিবারের সিবিআই তদন্তের দাবি।
এ বিষয়ে বিকেলে লালবাজারে সাংবাদিক সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা সাংবাদিকদের জানান, “গর্গ চট্টোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়ায় ইভিএমে কারচুপির বিষয় নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে পোস্ট করেছিলেন। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে এর বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান করেছিলেন। এ নিয়ে আমাদের উত্তর কলকাতার ডিইও একটি অভিযোগ করেছেন। তাকে (গর্গ চট্টোপাধ্যায়) দু’বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল, তবে তিনি একবারও আসেননি।
তাই আজ তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।”
