ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তি, ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার ঘরমুখো মানুষের

ঈদযাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তি, ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার ঘরমুখো মানুষের

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা, জেলা প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা। তবে এবার ঈদযাত্রার প্রথম দিনেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। সব ফেরি সচল থাকায় নির্বিঘ্নে পারাপার হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহন। ঘাট এলাকায় দীর্ঘ যানজট বা অতিরিক্ত ভোগান্তি না থাকায় স্বস্তিতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ফিরছেন মানুষ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা ফেরিগুলো যাত্রী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে পরিপূর্ণ অবস্থায় দৌলতদিয়া ঘাটে ভিড়ছে। মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও যাত্রীবাহী বাসের চাপ থাকলেও যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়নি।

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ঘাট এলাকায় জেলা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব পালন করছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) জানিয়েছে, যানবাহনের চাপ সামাল দিতে প্রয়োজনীয় ফেরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লে অতিরিক্ত ফেরি চালুর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরা যাত্রী তোয়া বলেন, এবার ঈদযাত্রা মোটামুটি স্বস্তিদায়ক ছিল। পথে তেমন যানজট ছিল না এবং ভাড়াও সহনীয় ছিল।

রাজবাড়ীর পাংশায় পরিবার নিয়ে ঈদ করতে যাওয়া সিরাজ আহম্মেদ বলেন, গতবারের তুলনায় এবারের যাত্রা অনেক ভালো। সড়ক ও ঘাট এলাকায় বড় কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হয়নি।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহা জানান, নৌপথ ও ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কন্ট্রোল রুমও চালু রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, বহরে থাকা ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৫টি চলাচল করছে। বর্তমানে ৩, ৪ ও ৭ নম্বর ঘাট দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ঈদযাত্রার প্রথম দিনে চাপ তুলনামূলক কম থাকলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি রয়েছে।