মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ (কক্সবাজার):
কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের আওতায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সীমান্ত নিরাপত্তায় বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমানা এবং মায়ানমার সীমান্তে অত্যন্ত কার্যকর ও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ জুন ২০২৬ তারিখে আনুমানিক ১৩০০ থেকে ১৬০০ ঘণ্টার মধ্যে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীন পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ আনজুমানপাড়ায় মায়ানমারে পাচার করার জন্য মজুদকৃত সার ও তৈল আটক করার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের আগে বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাবা শারমীন সুলতানা এবং উখিয়া উপজেলার কৃষি অফিসার কামনাশিষ সরকারকে অবহিত করা হয়।
পরবর্তীতে, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কৃষি অফিসার এবং সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুদ রানা নেতৃত্বে বিজিবি টহলদল এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে (১) মোঃ রফিক (৪০), পিতার নাম-মৃত আঃ শুকুর, (২) মোঃ আতিকুর রহমান (৩২), পিতার নাম-মজিবুর রহমান, (৩) মোঃ তারেক (২২), পিতার নাম-নুর হোসেন, (৪) নুরুল বাশার (৪৫), পিতার নাম-মৃত আঃ শুকুর, (৫) সামসুল আলম (৭০), পিতার নাম-আলী আহাম্মদ, (৬) মোঃ গুরানী (৩২), পিতার নাম-নুর হোসেন এবং (৭) মোঃ কালু (৫০), পিতার নাম-মৃত আলী আকবর, সবাই আনজুমানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, ডাকঘর-বালুখালী, থানা-উখিয়া ও জেলা-কক্সবাজার এর বাড়িতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ইউরিয়া সার-৯০ বস্তা এবং সয়াবিন তৈল-৮০ লিটার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উল্লেখ্য, অভিযানের সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমান আদালত দ্বারা উদ্ধার হওয়া ইউরিয়া সার ও সয়াবিন তৈলের পাশাপাশি পলাতকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে থাকার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তঃ রাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে যথাযথ এবং কার্যকর পেশাদারিত্বের সাথে কর্তব্য পালন করে চলেছে, যা বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “বিজিবি শুধু সীমান্ত রক্ষায় নয়, মাদক ও চোরাচালান এবং সার পাচার রোধে সব সময় কঠোর মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

