মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ (কক্সবাজার):
দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার জন্য, মাদকসমস্যা নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধার এবং দুর্ধর্ষ অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মূল লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসীদের দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, জলদস্যু-বনদস্যু দমন, বিশাল অপরাধমূলক ঘটনাগুলোর রহস্য উদঘাটন এবং মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর নীতি বাস্তবায়ন করা। গত দুই দশকের বেশি সময়ে র্যাব সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তার একটি নির্ভরযোগ্য চিহ্ন হয়ে উঠেছে।
এই ধারাবাহিকতায় এবং মাদকের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করার প্রতিজ্ঞায় র্যাব-১৫, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর কোম্পানির একটি দক্ষ আভিযানিক দল কক্সবাজারের রামু থানার এলাকায় একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।
গতকাল ২৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাতের দিকে, আনুমানিক ২১:১০ মিনিটের সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার রামু থানার রাবার বাগানের কাছে রাজ মহল হোটেলের সামনে বিশেষ একটি অভিযান চালায়। এই অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত এবং দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক থাকা ওয়ারেন্টভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সোনা মিয়াকে (৪৫) আটক করতে সক্ষম হয়।
আটক সোনা মিয়া (৪৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার কুতুবদিয়া পাড়া (পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়া, ১নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার পৌরসভা) সেখানকার মৃত নজির আহমদের পুত্র। তিনি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেফতার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকসমস্যার বিরুদ্ধে এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য র্যাব-১৫ এর এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

