এরশাদ রানা (কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি):
কুমিল্লা জেলার ঐতিহ্যপূর্ণ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গর্বিত সন্তান এবং চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির অভিজ্ঞান সদস্য জনাব রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্টার্ডাড ইসলামি ব্যাংক পিএলসির এমডি হিসেবে নিযুক্ত হওয়ায় চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ও ওয়ান ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ২২ জুন, সোমবার সকাল বেলায় সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ফুল নিয়ে এমডি মহোদয়ের অফিসে শুভেচ্ছা জানান।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন অগ্রণী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও সংগঠনের সমাজসেবা বিভাগের সম্পাদক আগা আজিজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মহিউদ্দিন, সোনালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ হোসেন, আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোজাহারুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট তাসনুবা আক্তার চৌধুরী, অগ্রণী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মোঃ গোলাম মোস্তফা, কর্মকর্তা ও ইসলামী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মোস্তাক আহমেদ, সিটিজেন ব্যাংকের একজন কর্মী এবং চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের সম্পাদক এস এন ইউসুফ, নারী বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও এবি ব্যাংকের কর্মকর্তা জান্নাতুল কাউনাইন প্রমুখ।
এ বিষয়ে উল্লেখ্য যে, জনাব রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘী ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের একটি পরিচিত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী, স্থানীয় এন এইচ এম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কম্বাইনড মেরিট লিস্টে সপ্তম হয়ে বোর্ডে স্থান পান এবং ঢাকার সিটি কলেজ থেকেও ১৭ তম মেধা তালিকায় বোর্ডে স্থান অর্জন করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতির বিষয়ে অনার্সসহ মাস্টার্স সম্পন্ন করেন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ অনুষদের অধীনে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে তিনি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি ইস্টার্ন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং এবি ব্যাংক পিএলসিতে কর্মরত ছিলেন। জনাব চৌধুরী ২০০০ সালে আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেডে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার হিসেবে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন।
২৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যাংকিং ক্ষেত্রের এই অভিজ্ঞতায় তিনি শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনে তিনি আমেরিকা, কানাডা, ইতালি, জার্মানি, পোল্যান্ড এবং ভারতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সফর করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে তিনি দুই পুত্রের জনক। তিনি চৌদ্দগ্রাম ব্যাংকার্স সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

