মোহাম্মদ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগড়ে অস্ত্র সম্পর্কিত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া বাসচালক মোহাম্মদ তারেককে নিয়ে নতুন প্রশ্ন ও আলোচনা শুরু হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তার থেকে একটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু তার পরিবার বলছে, পুরো বিষয়টি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাজানো হয়েছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ঘটনার পেছনে এখন এলাকায় ব্যাপক আলাপ-আলোচনা চলছে। একদিকে পুলিশের অস্ত্র উদ্ধারের বক্তব্য, অন্যদিকে পরিবারের অভিযোগ যে তাদের ফাঁসানো হয়েছে—এ দুই ভিন্ন অবস্থানের মাঝে প্রকৃত সত্যটি সম্পর্কে রয়েছে অস্পষ্টতা। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ১৭ মে গভীর রাতে রামুর ঈদগড় ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কোদালিয়াকাটা এলাকায় পুলিশ একটি অভিযানের কাজ শুরু করে। এএসআই আব্দুল খালেক দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেছেন যে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারেকের হেফাজত থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা কাঠের বাটযুক্ত এলজি এবং দুটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা শুরু করা হয়, যার জিআর মামলা নম্বর ৩৪৫/২০২৬ (রামু)। তবে মামলার নথি বিশ্লেষণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ করে দেখা গেছে, অভিযানের পটভূমি ও আলামত উদ্ধারের দিকে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সরেজমিনে কথা বললে জানা যায়, তারেক দীর্ঘ দিনের বাস ও পিকআপ চালক হিসেবে কাজ করছে। স্থানীয়দের মতে, পূর্বে কখনো অস্ত্র, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা অন্য কোনো…
Author: দৈনিক নবদিগন্ত
মোহাম্মদ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কক্সবাজারের রামু উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশের দল সৈয়দুল হক, যিনি পঙ্গু সৈয়দুল নামে পরিচিত, তাকে আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের এক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, তিনি টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী জুম্মাপাড়ার একটি বাসিন্দা এবং অনেক দিন ধরে মানবপাচারের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে, স্থানীয় মানুষ তাকে ‘পঙ্গু সৈয়দ’ নামেই বেশি চেনেন। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, খুনিয়াপালং ইউনিয়নের কমুনিয়া এলাকায় তার দ্বিতীয় আবাস থেকে পুলিশ তাকে আটক করেছে। তার স্থায়ী নিবাস টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী জুম্মাপাড়া। এই মানবপাচারকারীর গ্রেফতারের সংবাদে নোয়াখালী জুম্মাপাড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তির অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসীরা জানান, তার কর্মকাণ্ডের কারণে তারা বহুদিন ধরে কষ্ট পেয়ে আসছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয়রা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ কার্যক্রমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দ্রুত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
রাকিবুল হাসান (সাতক্ষীরা) শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সাত বছর বয়সী সুরাইয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ওই শিশুটি বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের আবাদ চন্ডিপুর গ্রামের মিঠু গাজীর কন্যা। (৭ জুন) রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবিদ হাসান জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত সুরাইয়ার পরিবারের কাছ থেকে শুনেছেন যে সুরাইয়া খুবই প্রাণবন্ত ছিল। দুপুরে অনেক সময় ধরে পুকুরে স্নান করার কারণে তার মা তাকে বকﮤ দেন। মা থেকে অভিমান করে সুরাইয়া ঘরে গিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার খালেদুর রহমান বলেন, ছোট একটা শিশু গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার খবর আমি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
রহমত আরিফ, ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) দ্বারা পুশইনের শিকার হওয়া ১১ জনের ভাগ্য এখনও অন্ধকারে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও পতাকা বৈঠকের পরেও কোনো ফলপ্রসু সমাধান পাওয়া যায়নি। এর ফলে সীমান্তে উত্তেজনা ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার (৭ জুন) বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টা হয়ে গেলেও, দুবার পতাকা বৈঠক হওয়ার পরও কোনো সমাধান আসেনি, ফলে সীমান্তের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক ও মানবিক সংকটের দিকে যাচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ভোর ৩টা ৩০ মিনিটের সময় বিএসএফ নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১১ জনকে ঠাকুরগাঁওয়ের মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বাধা দিলে বিএসএফ সদস্যরা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান নিতে বাধ্য হন। তারপর থেকে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন। পুশইনের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, চারজন নারী এবং চারজন শিশু রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন নারী ৯ মাসের গর্ভবতী এবং একজন শিশু প্রতিবন্ধী। ভয়াবহ রোদ, বৃষ্টির মধ্যে এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে তাদের প্রতিদিন কাটাতে হচ্ছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবার অভাবে পরিস্থিতি ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রোজিনা আক্তার কান্না জড়িত কণ্ঠে জানায়, সে তার বাবা-মায়ের সাথে ভারতের কলকাতায় ছিল। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করার পরে প্রায় ১২ দিন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ঘোরানোর পর, অবশেষে ঠাকুরগাঁও সীমান্তে নিয়ে আসে। দ্রুত বাড়িতে ফিরতে চাইলেও এখন সে ভয়ঙ্কর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন গুনছে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সীমান্তে অবস্থিত নারীরা, শিশুরা ও বৃদ্ধরা দুর্বিষহ অবস্থায় রয়েছেন। মানবিক কারণে আশেপাশের গ্রামবাসীরা তাদের শুকনো খাবার ও পানি পৌঁছে…
মালিকুজ্জামান কাকা: যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল স্থল বন্দরের সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন তার বাসায় হামলা ও গুলির ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। রবিবার দুপুরে যশোর প্রেস ক্লাবে তিনি এই সম্মেলন করেন। পূর্ববর্তী একটি ব্যবসায়িক উত্তেজনার কারণে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলাটি করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে সোহাগ হোসেন বলেছেন, ৫ জুন রাত ১০টার সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে ছিলেন। এই সময় ১০ থেকে ১২ জনের একটি গ্রুপ তার বাড়ির সামনে এসে তাকে গালিগালাজ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে তারা ঘরের জানালা ও দরজায় গুলি চালায়। তিনি জানিয়েছেন, হামলাকারীদের ছোড়া একটি গুলি জানালার কাচ ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে দেয়ালে গিয়ে লাগে। এছাড়া অন্যান্য গুলি ঘরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। লাইট নিভিয়ে তিনি মেঝেতে শুয়ে পড়েন। আল্লাহর কৃপায় তিনি এবং তার পরিবার নিরাপদ রয়েছে। হামলাকারী সাইদ এবং তার সাথে থাকা কিছু আওয়ামীলীগের পরিচিত সদস্য। পুলিশ এখনও সংঘটিতদের ধরতে পারেনি। সাঈদর কাছে সোহাগ ও তার পার্টনারের প্রায় ৮৫ লাখ টাকার দেনা রয়েছে। এই পাওনাটা না দিতে সাঈদ চক্র বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। তারা এলাকায় আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। সোহাগ হোসেন বলেন, তাকে চক্রান্ত করে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। এই কারণে তার পরিবার বর্তমানে কঠিন আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার পরে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করলে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গুলির খোসা এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধার করে। বাসার আশপাশ এবং বিভিন্ন স্থানে…
এম এইচ কামাল, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের চরামদ্দি এলাকায় ৩২ পিস ইয়াবাসহ সিরাজ গাজী, যিনি সিজন গাজী হিসেবেও পরিচিত, একটি মাদক ব্যবসায়ী, পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। শনিবার রাতে চরামদ্দি পুলিশ ক্যাম্পের এস আই আলমগীরের নেতৃত্বে একটি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৩২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রবিবার সকালে উদ্ধার হওয়া মাদক দ্রব্যসহ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতার হওয়া সিরাজ গাজী, যিনি সিজন গাজী নামেও পরিচিত, চরামদ্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দিয়ারচর পশ্চিম চরামদ্দির জব্বার গাজীর পুত্র। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিরাজ গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসায় যুক্ত রয়েছে। এর আগে একাধিকবার মাদকসহ তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা আটক হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেশ কিছু মামলা রয়েছে। বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের উদ্দেশ্যে পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতি কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
মো: আল-মাহফুজ শাওন খুলনা : খুলনা শহরে সামান্য বৃষ্টির পরেই খুলনা প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই)-এর প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে জল জমে গেছে। জমে থাকা পানির কারণে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ ও বাহির হওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। এতে শিক্ষকদের, কর্মচারীদের, প্রশিক্ষণার্থীদের এবং আগত দর্শকদের জন্য বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছে, সম্প্রতি হালকা বর্ষণের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান দরজার সামনে রাস্তার উপর পানি জমে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পানি বের না হওয়ার ফলে এলাকাটি সামান্য জলাবদ্ধতায় পরিণত হয়েছে। এর ফলে, শিক্ষার্থীদের এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ভুক্তভোগীদের মতে, প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে পানি জমে থাকায় অনেকের জুতা হাতে নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারী প্রশিক্ষণার্থী এবং বৃদ্ধ ব্যক্তিরা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। তদুপরি, নোংরা পানির কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিও সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পরিষ্কার না করার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে সামান্য বৃষ্টিতে। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সকলেই বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত ড্রেন পরিষ্কার ও স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। স্থানীয়রা আশা করছেন, নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম…
হুমায়ুন কবির, কটিয়াদি উপজেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী পৌরসভার উত্তর ভোগপাড়া মহল্লার মিন্টু প্রফেসরের বাড়ি থেকে শুরু করে পৌর শ্রমিক দলের সাধারণ আবুল কালামের বাড়ি পর্যন্ত সড়কের অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত খারাপ হয়ে গেছে। রাস্তার অব্যবস্থাপনায় খানাখন্দ, বড় বড় গর্ত এবং ধুলো-কাদা মিলে একাকার হয়ে গেছে। দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তার কোনো সচলতা নেই, ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও বড় ধরনের অসন্তোষ বিদ্যমান। লোকজনের অভিযোগ, এমন কঠিন পরিস্থিতিতে নজর দেওয়ার কেউ নেই! রোববার (৭ জুন) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মিন্টু প্রফেসরের বাড়ি থেকে আবুল কালামের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি সম্পূর্ণ খোয়া ওঠার ফলে ছোট-বড় সংখ্যক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অল্প বৃষ্টিতেই গর্তগুলোতে পানি জমে যায়, যা ডোবার মত হয়ে যায়। মাটির কাদা-পানি ছিটকে পথচারীদের পোশাক নষ্ট করছে। গর্তের গভীরতা আন্দাজ করে উঠতে না পারার কারণে রিকশা, ইজিবাইক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা প্রায়ই উল্টে যাচ্ছে। এদিকে শুকনো মৌসুমে ধূলোর কারণে সড়ক দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বাজারের ব্যবসায়ীরা এবং যাতায়াতকারী লোকজন শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন ধরনের ধূলিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও কটিয়াদী পৌর শ্রমিক দলের সচিব ফারুক লস্কর হতাশা প্রকাশ করে জানান, “আমরা নিয়মিত পৌর কর (ট্যাক্স) দিয়ে থাকি, কিন্তু নাগরিক সুবিধার মধ্যে কিছুই পাচ্ছি না। সড়কের এই পরিস্থিতি এমন যে, সুস্থ মানুষও এখানে চলে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতের বেলা চলাচল করা আরো কঠিন হয়ে গেছে। বছরের পর বছর ধরে এমন অবস্থা চললেও সম্পূর্ণ কোন সংস্কার প্রক্রিয়া নেই।” স্থানীয় ইজিবাইক চালক মতিন মিয়া উল্লেখ করেন, খারাপ রাস্তার জন্য তাদের যানবাহনের অংশগুলো প্রায়ই ভেঙে যায়। এর ফলে আয়কর একটি বড় অংশ গাড়ি মেরামতের পেছনে চলে যায়। দুর্ঘটনার সম্ভাবনা ও বাণিজ্যের স্থবিরতা: এই ব্যস্ত রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এবং শত শত যান চলাচল করে। রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দূর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে রোগী, গর্ভবতী নারীদের এবং স্কুল বা কলেজের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। তাছাড়া রাস্তার বেহাল হওয়ার কারণে পৌর এলাকার ব্যবসায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। রাস্তার এই বেহাল পরিস্থিতি এবং জনগণের অসুবিধার ব্যাপারে কটিয়াদী…
রহমত আরিফ, ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ ঠাকুরগাঁও সদর আকচা ইউনিয়নের দক্ষিণ বঠিনা এলাকায় জমি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ প্রতিপক্ষের হামলায় তিনজন আহত হয়েছেন। রবিবার সকাল ৯ টায় দক্ষিণ বঠিনায় ওই ব্যক্তির নিজ জমির বাড়িতে এই আক্রমণের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীদের মধ্যে রয়েছে: ১। শ্রী মংগুলু শীল (৪০), ২। ভবেশ শীল (৫০), ৩। চৈইতু শীল (৪৫), ৪। টুনি শীল (৪৫), ৫। শ্রী লক্ষন শীল (৩৫), প্রতিটি পিতার নাম মৃত শুকুরু শীল, ৬। শান্তনা (৪০), স্বামী ভবেশ নীল, ৭। দ্বিতা নীল (৩৫), স্বামী টুনি শীল, ৮। বিনা রানী (৪৫), স্বামী লক্ষন শীল, সকলেই দক্ষিণ বঠিনার বাসিন্দা, থানার এবং জেলার নাম ঠাকুরগাঁও। আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত অস্ত্র ছিল: দা-বটি, ছুরি, লোহার রড, চাইনিজ কুরাল, খুর এবং লাঠি, এভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত তিনজন: ১। আনোয়ারুল ইসলাম সাবেক সদস্য (৬০), ২। আমিরুল ইসলাম (৪৬), ৩। আমিরুল ইসলাম (৪৬), সকলের পিতার নাম মৃত ভূবন আলী। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা খুবই খারাপ, মাথায় সেলাই রয়েছে এবং মাঝে মাঝে বমি করেন—আনোয়ারুল ইসলাম সাবেক সদস্য, তিনি ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ জানায় যে, যেকোনো সময়ে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হতে পারে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৭০ হাজার টাকা হয়। এলাকার বাসিন্দারা এবং দক্ষিণ বঠিনার সাবেক সদস্য বিশু জানান যে, তারা দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত আসামিরা যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন, তখন তারা কিছু বলতে চাননি। পরে ফোনে যোগাযোগ করা হলে, ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে -আসামি ভবেশ শীল এবং তার সঙ্গীদের সাথে তাদের বিরোধ চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও আদালতে মামলা চলছে। বাদী: আমিরুল ইসলাম। জমি নিয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে। জমির মালিক…
মোঃ আব্দুল্লাহ শেখ, বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটে বাসি গরুর মাংস বিক্রির কারণে দুটি বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন হারুনর রশিদ (৪৫), যিনি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত সাহেব আলী শেখের সন্তান এবং ইয়ামিন হাওলাদার (৩০), যিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার খানপুরের আবু সাইদ হাওলাদারের ছেলে। রবিবার (০৭ জুন) সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজারে রামপাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর পরিচালনায় আদালত এই রায় দেন। এসময় ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ অভিজিৎ কুমার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ফয়লাবাজারে বাসি গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। ভেটেরিনারি সার্জনের প্রসিকিউশন গ্রহণ করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং উভয় বিক্রেতার থেকে ১০…
