কয়রায় ব্যবসায়ী নির্যাতনের অভিযোগে ধর্মঘট, আলোচনায় সমাধান

এসকে এম মহসিন রেজা, ‎উপজেলা প্রতিনিধি (খুলনা): কয়রা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদ ইলেকট্রনিক-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদকে এএসআই ফজলু ও এএসআই আকাশ কর্তৃক নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও শাস্তির দাবিতে কয়রা বাজার কমিটির ডাকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট। রবিবার (১০ মে) খুলনার কয়রা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কয়রা বাজারের ব্যবসায়ীকে সংশ্লিষ্ট থানা হেফাজতে পুলিশ কর্তৃক নির্মম নির্যাতন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এর প্রতিবাদে সকাল থেকে অনিদৃষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয় কয়রা বাজার ব্যবসায়িক সমবায় সমিতি। ‎এ সময় কয়রা বাজারের সকল প্রকার দোকান এবং প্রতিষ্ঠান এই ধর্মঘটের আওতায় থাকার জন্য আহ্বান জানান কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সংগ্রামী সভাপতি জনাব সরদার জুলফিকার আলম। ‎ঘটনার বর্ণনা একাধিক ব্যবসায়ীর বক্তব্যে তারা বলেন, যে উল্লেখিত ঘটনার দিন অর্থাৎ (৮ মে) শুক্রবার কয়রা বাজারে তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থিত একটি মুদিখানার দোকানে ভুক্তভোগ আহাদ ( যিনি একই বাজারের ব্যবসায়ী) পারিবারিক কেনাকাটা করতে আসে এ সময় ওই দোকানের প্রবেশপথে সংশ্লিষ্ট থানার একজন কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত গাড়িটি রাখে যা উক্ত দোকানে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ‎এমতাবস্থায় আহাদ তার কেনাকাটা শেষে উক্ত দোকান থেকে বাহির হওয়ার সময় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িটি সরিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ করে। এ সময় গাড়ির মালিক পুলিশ কর্মকর্তা ব্যবসায়ী আহাদের সাথে বাঘ বিতান্ডায় জরিত হয়। এক পর্যায়ে উল্লেখিত স্থানের কিছু ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয় এবং উল্লিখিত বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়। পরবর্তীতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা পরের দিন অর্থাৎ (১০ মে) শনিবারে ভুক্তভোগ আহত কে মুঠোফোনে থানায় আসার জন্য আহ্বান করে এ সময় বাজারের ব্যবসায়ী আহাদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মুঠোফোনের আহবানে সংশ্লিষ্ট থানায় হাজির হন। ‎এ সময় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা আকাশ এবং ফজলু তাকে বেদারক মার্কেট করে যা মুহূর্তেই বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ‎এ সময় বাজারে সভাপতি সহ কমিটির অন্য সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে তা ব্যর্থ হয়। ‎ পর্বতিতে বাজার কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ এবং বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিলিত হয়। এবং সেখানে সকলের সিদ্ধান্ত মতে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাজারে ধর্মঘটের আহবান করে। ‎ধর্মঘট চলাকালীন সময়ের একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম এবং কয়রা বাজারের কমিটির সভাপতি নেতৃত্বে একটি টিম সহ বাজারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) কর্তৃক অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাসে কয়রা বাজার ব্যবসায়িক কমিটির সভাপতি জনাব সরদার জুলফিকার আলম ধর্মঘট প্রত্যাহার করে।

এসকে এম মহসিন রেজা, ‎উপজেলা প্রতিনিধি (খুলনা):

কয়রা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আসাদ ইলেকট্রনিক-এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদকে এএসআই ফজলু ও এএসআই আকাশ কর্তৃক নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও শাস্তির দাবিতে কয়রা বাজার কমিটির ডাকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট।

রবিবার (১০ মে) খুলনার কয়রা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কয়রা বাজারের ব্যবসায়ীকে সংশ্লিষ্ট থানা হেফাজতে পুলিশ কর্তৃক নির্মম নির্যাতন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এর প্রতিবাদে সকাল থেকে অনিদৃষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয় কয়রা বাজার ব্যবসায়িক সমবায় সমিতি। ‎এ সময় কয়রা বাজারের সকল প্রকার দোকান এবং প্রতিষ্ঠান এই ধর্মঘটের আওতায় থাকার জন্য আহ্বান জানান কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সংগ্রামী সভাপতি জনাব সরদার জুলফিকার আলম।

‎ঘটনার বর্ণনা একাধিক ব্যবসায়ীর বক্তব্যে তারা বলেন, যে উল্লেখিত ঘটনার দিন অর্থাৎ (৮ মে) শুক্রবার কয়রা বাজারে তিন রাস্তার মোড়ে অবস্থিত একটি মুদিখানার দোকানে ভুক্তভোগ আহাদ ( যিনি একই বাজারের ব্যবসায়ী) পারিবারিক কেনাকাটা করতে আসে এ সময় ওই দোকানের প্রবেশপথে সংশ্লিষ্ট থানার একজন কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত গাড়িটি রাখে যা উক্ত দোকানে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। ‎এমতাবস্থায় আহাদ তার কেনাকাটা শেষে উক্ত দোকান থেকে বাহির হওয়ার সময় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িটি সরিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ করে। এ সময় গাড়ির মালিক পুলিশ কর্মকর্তা ব্যবসায়ী আহাদের সাথে বাঘ বিতান্ডায় জরিত হয়। এক পর্যায়ে উল্লেখিত স্থানের কিছু ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় লোকজন একত্রিত হয় এবং উল্লিখিত বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাকে দোষী সাব্যস্ত করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেয়।

পরবর্তীতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা পরের দিন অর্থাৎ (১০ মে) শনিবারে ভুক্তভোগ আহত কে মুঠোফোনে থানায় আসার জন্য আহ্বান করে এ সময় বাজারের ব্যবসায়ী আহাদ আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মুঠোফোনের আহবানে সংশ্লিষ্ট থানায় হাজির হন। ‎এ সময় অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা আকাশ এবং ফজলু তাকে বেদারক মার্কেট করে যা মুহূর্তেই বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

‎এ সময় বাজারে সভাপতি সহ কমিটির অন্য সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে তা ব্যর্থ হয়। ‎ পর্বতিতে বাজার কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ এবং বাজারের সকল ব্যবসায়ীদের নিয়ে মিলিত হয়। এবং সেখানে সকলের সিদ্ধান্ত মতে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাজারে ধর্মঘটের আহবান করে। ‎ধর্মঘট চলাকালীন সময়ের একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম এবং কয়রা বাজারের কমিটির সভাপতি নেতৃত্বে একটি টিম সহ বাজারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিক সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) কর্তৃক অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাসে কয়রা বাজার ব্যবসায়িক কমিটির সভাপতি জনাব সরদার জুলফিকার আলম ধর্মঘট প্রত্যাহার করে।