Close Menu
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ
  • Homepage
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি
Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
Breaking News
  • মধুপুরে ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসায় বিক্রি নেই দৈনিক বাজারে, ব্যবসায়ীরা হতাশ
  • বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার – নিকোলাস বিশ্বাস
  • নাটোরের নলডাঙ্গায় অসুস্থতা সহ্য করতে না পেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা
  • যাদুকাটার দুই বালুমহালে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জেলা প্রশাসনের
  • নওগাঁয় আউশ ধানের বাম্পার ফলন হলেও দামে হতাশ কৃষকরা: উৎপাদন খরচ তুলতে হিমশিম
  • পত্নীতলায় আবারও সড়ক দুর্ঘটনা, আহত ৫
  • রূপগঞ্জে জামদানি বুনন প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
  • রাতের আঁধারে ডাকাত আতঙ্ক, গুলিতে আহত তমিজ উদ্দিন
  • Homepage
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি
Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
দৈনিক নবদিগন্তদৈনিক নবদিগন্ত
Live
Monday, September 14
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ
Facebook X (Twitter) Instagram
দৈনিক নবদিগন্তদৈনিক নবদিগন্ত
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ
Home | রংপুর | গঙ্গাচড়ায় জলাবদ্ধতায় আমন চাষে দুশ্চিন্তায় কৃষক, জমিতে কচুরিপানা

গঙ্গাচড়ায় জলাবদ্ধতায় আমন চাষে দুশ্চিন্তায় কৃষক, জমিতে কচুরিপানা

By দৈনিক নবদিগন্ত26/08/2026 রংপুর No Comments3 Mins Read
গঙ্গাচড়ায় জলাবদ্ধতায় আমন চাষে দুশ্চিন্তায় কৃষক, জমিতে কচুরিপানা
গঙ্গাচড়ায় জলাবদ্ধতায় আমন চাষে দুশ্চিন্তায় কৃষক, জমিতে কচুরিপানা
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email
🖨️ News Print

মিলন সরকার, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় নয়টি ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় আমন ধান চাষ নিয়ে কৃষকরা চিন্তিত। ১০ জুলাই থেকে আমনের চারা রোপণের সেরা সময় চলে গিয়েছে, কিন্তু জমিতে বেশি পানি থাকায় তারা এখনো চারা বপন করতে পারেননি। এতে চলতি মৌসুমে অনেক জমি খালি পড়ে থাকার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। উপজেলার গঙ্গাচড়া সদর, আলমবিদিতর, নোহালী, বড়বিল, কোলকোন্দ, লক্ষীটারী, মর্নেয়া, গজঘন্টা, এলাকায় ভরপুর এই জলাবদ্ধতা ও কচুরিপানা।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, খাল বা নালা না থাকার কারণে গত কয়েক বছর ধরে এই সমস্যায় পড়ছেন তারা। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় আমন চাষের কোনো কাজ নেই, ছোট-বড় কচুরিপানায় পূর্ণ রয়েছে।

এগুলো ফসলি জমিতে ওই এলাকার বেশিরভাগ জমিতে হাঁটুর ওপর পর্যন্ত পানি জমে আছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন এলাকায় ঘুরলে দেখা যায়, বিগত কিছু জমিতে আমন ধান রোপণ শেষ হয়ে গেছে। যেসব জমিতে এখনও রোপণ বাকি, সেখানে কৃষকরা কাজ করছেন।

স্থানীয় ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জমে থাকা পানি বের হতে না পেরে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় প্রবীণ কৃষকদের মতে, এক সময় ওই অংশে নালা ছিল। প্রায় তিন দশক আগে বড় বন্যার পর নালাটির তলদেশ ভরে যায়। পরে সংস্কারের অভাবে নালাগুলো ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যায়। একসময় জমির মালিকরা নিজেই বিভিন্ন স্থানে নালার অংশ ভরাট করে ফেলেন। এতে পানি নিষ্কাশনের পথ একদম বন্ধ হয়ে যায়।

জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কৃষকরা জানান, এই বছর একদিকে তাদের চারা নষ্ট হয়েছে, অন্যদিকে জমিতে অতিরিক্ত পানি থাকায় আমন চাষের কোনো উদ্যোগ নিতে পারছে না। তাদের দাবি, জলাবদ্ধতার কারণে প্রতি বছরই চারা নষ্ট হয়। আবার নির্ধারিত সময়ে চারা রোপণ না করতে পারার জন্য তারা কাঙ্খিত ফলন হারান। শুধু আমন মৌসুমে নয়, বরং অনেক সময় ইরি মৌসুমের পাকা কিংবা অপরিপক্ব ধানও পানিতে পড়ে নষ্ট হয়।

নয়টি ইউনিয়নের কৃষকরা সমস্যায় ও ক্ষতির সম্মুখীন। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। এমনকি স্মারকলিপিও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। ফলে বছরটির পর বছর ধরে তাদের ক্ষতির বোঝা বহন করতে হচ্ছে। দ্রুত পানি না নামলে চলতি বছরও অনেক জমি খালি পড়ে থাকবে। বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিবছরই চারা নষ্ট হচ্ছে। ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক সময় বারবার চারা রোপণ করতে হয়। এতে খরচও অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত চাষি সাজু মিয়া (৫৪) বলেন, গত বছর আমন মৌসুমে চারা কিনে দুই দফা রোপণ করেও এক কেজি ধানও পাইনি। পুরো ফসল নষ্ট হয়েছে। একই এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নয়া মিয়া(৫০) বলেন, জমিতে অনেক পানি। চারা নষ্ট হয়েছে। হাটে খোঁজ নিয়ে দেখেছি চারার দাম খুব বেশি। জমিতে রোপণ করব কীভাবে, জানি না। কৃষক আব্দুল আজিজ (৭০) বলেন, প্রতিবার দোগোচি (বলান) দিতে আমাদের অনেক বেশি খরচ হয়। অনেক সময় দুইবার রোপণ করেও চাল পাওয়া যায় না, পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়। আবার রোপণের সময়ে পানি না নামলে অনেক জমি খালি থেকে যায়। এই এলাকার কৃষকদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে দ্রুত নালা খনন করা উচিত।

নালা খনন হলে আমন, ইরি ও বর্ষালীসহ তিন ধরনের চাষাবাদ করা সম্ভব হবে। কৃষকদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সকলের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, কৃষকরাই এই দেশের প্রাণ বিষয়টি দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে খাল খননের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে জলাবদ্ধতার ফলে আমনের বীজতলা নষ্ট হয়েছে বলে জানানো হয়েছে

Keep Reading

2 Mins Read

স্বামীর বাড়িতে তরুণীর ঝুলন্ত লাশ, পরিবারের দাবি ‘হত্যা’

4 Mins Read

ঠাকুরগাঁওয়ে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সাড়ে ৩ লাখ মানুষ স্বাক্ষর করেছিলেন

2 Mins Read

নাগেশ্বরীতে ছাত্র ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে

Add A Comment

Comments are closed.

আরোও পড়ুন

মধুপুরে ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসায় বিক্রি নেই দৈনিক বাজারে, ব্যবসায়ীরা হতাশ

ঢাকা 14/09/2026

বিশ্ব বাস্তবতায় জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার – নিকোলাস বিশ্বাস

14/09/2026

নাটোরের নলডাঙ্গায় অসুস্থতা সহ্য করতে না পেরে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

14/09/2026

যাদুকাটার দুই বালুমহালে বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জেলা প্রশাসনের

14/09/2026

একটি নির্ভরযোগ্য বাংলা সংবাদ ও তথ্যভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে পাঠকদের জন্য সঠিক, নিরপেক্ষ এবং সময়োপযোগী তথ্য প্রকাশের চেষ্টা করা হয়।

Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
গুরুত্বপূর্ণ লিংক
  • Homepage
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি
জনপ্রিয়
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ

নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ জাকির হোসেন

 

প্রধান কার্যালয়ঃ 

শেরশাহ্ নিউ মার্কেট ২য় তলা, শেরপুর বগুড়া।

© 2026 দৈনিক নবদিগন্ত. All Rights Reserved
  • Homepage
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.