মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, বিশেষ প্রতিনিধি:
“জয়পুরহাট ড্রিম রাইডার্স” নামক বাইকারদের জনপ্রিয় সংগঠনের উদ্যোগে জয়পুরহাটে বাইকগুলোর ওপর প্রস্তাবিত অযৌক্তিক কর প্রত্যাহারের জন্য শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার বিকালে শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদের এর সামনে এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণির বাইকার এবং সচেতন নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তৃতা প্রদান করার সময় বক্তারা উল্লেখ করেন, বর্তমানকালে মোটরসাইকেল সাধারণ মানুষের জন্য দৈনন্দিন যাতায়াতের একটি প্রয়োজনীয় এবং সহজ মাধ্যম। কিন্তু বাইকের ওপর অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক কর আরোপিত হলে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ বাইকারদের জন্য এই পরিস্থিতি খুবই কষ্টদায়ক হয়ে উঠবে। তারা অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনঃমূল্যায়নের আবেদন জানান।
জয়পুরহাট ড্রিম রাইডার্সের সভাপতি আল আমিন রাজু বলেন, “মটরসাইকেল এখন আর শুধুমাত্র শখের বিষয় নয়, এটা অনেকের পেশা ও প্রয়োজনের অংশ। অযৌক্তিক কর আরোপ করলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাবে। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবিটি জানাচ্ছি এবং সরকারের কাছে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করছি।”
সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, “দেশের লাখ লাখ বাইকারের কথা মাথায় রেখে এই অতিরিক্ত কর প্রত্যাহার করা উচিত। বাইকারদের প্রতি বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।”
উপদেষ্টা এবং গ্রুপ এডমিন খালিদ বিন রেজা বলেন, “আমরা সবসময় আইন মেনে সচেতন বাইকিং সংস্কৃতি প্রচারের চেষ্টা করছি। কিন্তু অযৌক্তিক কর সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়াবে। তাই আমরা এর বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছি।”
এডমিন আল আমিন মন্ডল বলেন, “বাইক এখন অনেক পরিবারের জন্য একটি অপরিহার্য বাহন। অতিরিক্ত করের চাপ সাধারণ মানুষের জন্য সহ্য করার অযোগ্য হয়ে পড়বে। আমরা চাই সরকার বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করুক।”
এডমিন আবু হাসান জানান, “বাইকারদের জন্য সহানুভূতি ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন। আমরা কোনো ধরণের সংঘাতের পরিবেশ সৃষ্টি করতে ইচ্ছুক নই, বরং আমাদের ন্যায্য দাবি শান্তিপূর্ণভাবে তুলে ধরতে চাই। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিবে।”
জাহিদ হাসান বলেন, “এই মানববন্ধনের মাধ্যমে আমরা সরকারের কাছে একটি পরিষ্কার বার্তা দিতে চাই— সাধারণ বাইকারদের স্বার্থে অযৌক্তিক কর প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।”
মানববন্ধনের শেষে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাইকারদের যুক্তিসঙ্গত দাবি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে।
