মালিকুজ্জামান কাকা:
আমিনুর বাহিনীর সদস্য ইমামুল একটি কিশোরীকে অপহরণ করেছে। ২ জুন সকালে আনুমানিক নয়টার দিকে খালিয়া গ্রামের পথে ইত্তে ফিরে আসার সময় খালিয়া মাঠের রাস্তা থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্রী সোহেলীকে জোর করে নিয়ে যায়। তিন দিন পেরিয়ে গেলেও অপহৃত সোহেলীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সোহেলীর বাবা আবু তাহের মেয়ের সন্ধানে সর্বত্র খোঁজাখুঁজি করেও কোনো তথ্য পাননি।
অপহরণকারী ইমামুল সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করছে। এস আই সুজন আহমেদ মামলা তদন্ত করছেন। যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ২নং কাশিমপুর ইউপিতে এই অপহরণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
ওই সময় অভিযুক্ত ইমামুলের সঙ্গে আমিনুর বাহিনীর কিছু মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী ছিল বলে উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। ইত্তে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী সোহেলীর জন্ম ৩০ আগস্ট ২০১১। জন্ম সনদের তথ্য অনুযায়ী, সোহেলীর বয়স ১৫ বছরের কম।
সোহেলীর বাবা আবু তাহের বলেন, ইমামুল মাদকাসক্ত এবং অঞ্চলটির পরিচিত বখাটে। তারা একের পর এক অন্যায় করলেও প্রতিবাদ করার সাহস কাউকে হচ্ছে না। ইমামুলের পরিবার কিংবা তার বাবা ইরশাদ কোনো সাহায্য করছেন না। খালিয়ার রফিকুলের ছেলে বুরহানের সহযোগিতার মাধ্যমে সোহেলীকে অপহরণ করা হয়েছে। সে জানিয়ে দিয়েছে যে সোহেলীর অবস্থান কোথায়।
অপর দুইজনকে এখনো পুলিশ উদ্ধার করতে পারেনি।
এদিকে, সোহেলীকে অপহরণের ঘটনায় ইত্তেসহ পুরো অঞ্চলে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযুক্ত ইমামুল আওয়ামী লীগের পরিচিত তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী পাগলা শাহিনের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। সন্ত্রাসী ইমামুলের অভিভাবক ও আমিনুর বাহিনীর সদস্যরা উল্টো সোহেলীর পরিবারের সদস্যদের প্রতি হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেইসাথে গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছেন যে তারা অন্য অপকর্মও পরিচালনা করছে।
