উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল:
নড়াইল সদর উপজেলার মহাসড়কে পিকআপ ও লাটার গাড়ি (অবৈধ শ্যালো ইঞ্জিন চালিত যান) সংঘর্ষে মঞ্জুরুল ইসলাম বাবু (৩১) নামের এক পিকআপের হেলপার নিহত হয়েছেন। এছাড়াও লাটা গাড়িতে থাকা চারজন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
সোমবার (১৮ মে) সকাল সোয়া দশটার দিকে বেনাপোল-নড়াইল-কালনা মহাসড়কের তালতলা ঘোষবাড়ি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত মঞ্জুরুল ইসলাম বাবু সাতক্ষীরা জেলার হাশেম আলীর পুত্র। আহতদের মধ্যে রয়েছেন, নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের ইনামুল (১৯), ধুড়িয়া গ্রামের হুসাইন (১৮), জামালের ছেলে আকাশ (১৮) ও একই গ্রামের আকাশ খান (২১)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানিয়েছেন, সোমবার সকাল সোয়া দশটার সময় যশোর-নড়াইল-কালনা মহাসড়কের নড়াইল সদর উপজেলার তালতলা ঘোষবাড়ি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে দ্রুতগতিতে চলতে থাকা শ্যালো ইঞ্জিন চালিত অবৈধ লাটা গাড়ি ও পিকআপের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় পিকআপের হেলপার মঞ্জুরুল ইসলাম বাবু ঘটনাস্থলে মারা যান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা ট্রলিতে থাকা আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠান। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নড়াইল থেকে লোহাগড়া অভিমুখী দুটি ট্রলি দ্রুত গতিতে পাল্লা দিয়ে চলে যাচ্ছিল। এখন বিষয়টি ঘটনার সময় লোহাগড়া থেকে যশোরগামী পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষের দিকে যায়।
নড়াইল জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অলোক কুমার বাগচি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় মোট চারজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ইনামুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, নড়াইলের তুলারামপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সেকেন্দার আলী বলেছেন, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে একজন মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত পিকআপ হেলপারের পরিবারে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।
