জাহাঙ্গীর আলম, যিনি চাকু জাহাঙ্গীর নামে পরিচিত, বগুড়ার ধুনট উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতির পদে নিযুক্ত, আজ শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁকে স্থানীয় এলাকা থেকে পুলিশ ধরে নেয়। ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
জাহাঙ্গীর ধুনট উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এবং ধুনট পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অধিবাসী। গত বছর ফেব্রুযারিতে একটি ককটেল বিস্ফোরণের কারণে উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখ মামলা করেন, যেখানে জাহাঙ্গীরসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৯৮ জন নেতা-কর্মী আসামি হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা একটি মশাল মিছিল করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দিকে রওনা করে। সেই সময়ে তাঁরা ডাইম ভবন এলাকায় এসে উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রিপন শেখ ও তাঁর সঙ্গীদের লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। সংবাদ পেয়ে উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের ধাওয়া করেন। এই ঘটনার পর রিপন শেখ জাহাঙ্গীরসহ ৯৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং শতাধিক অজ্ঞাতনামা নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পরে জাহাঙ্গীর আলম পলাতক ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি এলাকায় ফিরে আসেন। খবর পেয়ে ধুনট থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, জাহাঙ্গীর আলম ককটেল বিস্ফোরণের মামলার আসামি ছিলেন। ২০১২ সালে চৌকিবাড়ী ইউনিয়নের ভুবনগাঁতি গ্রামের এক স্কুলশিক্ষককে ছুরিকাঘাতের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এসব মামলার ভিত্তিতে জাহাঙ্গীরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
