কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের দেওয়া জবাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের সময়ের মন্ত্রীদের মতোই উত্তর পেলাম, হতাশ লাগছে।”
রোববার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ আলোচনার সময় মনিরুল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, সড়ক প্রকল্পে ১৭,৫০০ কোটি টাকার ব্যয় হলেও প্রয়োজনীয় আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ হয়নি। তিনি বলেন, “অনুমোদিত ওভারপাসটি কেন হয়নি? ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় রাস্তা বন্ধ করার কারণে অনেক লোক মারা গেছে, অথচ কেউ ক্ষতিপূরণ পায়নি।”
মন্ত্রীর আশ্বাসের পর তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রী বলেন ওভারপাস হবে, এক্সপ্রেসওয়ে হবে—কিন্তু সবই শুধু কাগজে। যারা টাকা লুণ্ঠন করেছে, তারা শিখিয়ে দিয়েছে, সেটাই বলা হয়েছে।”
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জবাবে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। তিনি জানান, প্রকল্প আগে থেকেই চলমান এবং নকশা ও বাজেট সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। সংসদ সদস্যের অভিযোগ অনুযায়ী সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে এবং কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী আশ্বাস দেন, দ্রুত দৃশ্যমান ফলাফল আশা করা যায়।
এর আগে প্রস্তাবিত নোটিশে বলা হয়, কুমিল্লায় পদুয়ার বাজারে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কুমিল্লা-নোয়াখালী সংযোগস্থলে ‘দানবীয় ব্যারিকেড’ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লার প্রবেশপথে টমছম ব্রিজসহ সাতটি স্থানে আন্ডারপাস ও সার্ভিস লেন নির্মিত না হওয়ায় এলাকা বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। নতুন পরিকল্পনায় ওই অঞ্চলে তিনটি আন্ডারপাস এবং পদুয়ার বাজারে আরও দুটি আন্ডারপাস নির্মাণের কথা রয়েছে।
