মাদারীপুরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট রফিকের বিরুদ্ধে ডাবের মূল্য না দেওয়ার অভিযোগ উঠলে,তদন্তে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ২৭ মার্চ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে অভিযোগ করা হয় সার্জেন্ট রফিক ডাব খেয়ে মূল্য পরিশোধ করেননি এবং বিক্রেতাকে হুমকি দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, ওইদিন সন্ধ্যায় শহরের শকুনি লেন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ অবৈধ দোকান উচ্ছেদে অভিযান চালায়। এ সময় ডাব বিক্রেতা করিম বেপারীকেও সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক কাজল স্থানীয়দের জড়ো করেন।
পরবর্তীতে ভিডিও প্রকাশের পর জেলা পুলিশের কার্যালয়ে করিম বেপারী ও সার্জেন্ট রফিককে ডাকা হয়। সেখানে করিম বেপারী জানান, সার্জেন্ট প্রথমে কম দাম দিতে চাইলেও পরে বাড়তি মূল্য দেন, যা তিনি গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় তার কোনো অভিযোগ নেই বলেও জানান তিনি।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, একটি তদবির অগ্রাহ্য হওয়ায় ক্ষোভ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হতে পারে। ‘সমাচার’ নামে একটি ফেসবুক পেজেও এ সংক্রান্ত ভিডিও পোস্ট করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি চক্র নিজেদের সিনিয়র পরিচয় দিয়ে নতুন সাংবাদিকদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে এবং প্রভাব খাটিয়ে দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করে। এতে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।
২৭ মার্চের ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সার্জেন্ট রফিক কোনো মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
দৈনিক নবদিগন্ত/রেজাউল করিম, মাদারীপুর
