মো: আল-মাহফুজ শাওন: ঢাকা মহানগর বিশেষ জজ আদালত আরও দুই সাবেক প্রতিমন্ত্রী, বেশ কিছু প্রাক্তন সংসদ সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের কর সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে। রোববার (১০ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাতটি ভিন্ন আবেদন মঞ্জুর করার প্রেক্ষিতে বিচারক সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশে যাদের আয়কর নথি জব্দ করা হবে তারা হলেন— প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, গাজীপুর-২ আসনের প্রাক্তন সংসদ সদস্য জাহিদ হাসান রাসেল, বাগেরহাট-২ আসনের প্রাক্তন সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী শেখ রুপা চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের পুত্র তমাল মনসুর এবং সাবেক চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর সহধর্মিণী জিনাত পারভীন চৌধুরী। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন। দুদকের আবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও…
Author: দৈনিক নবদিগন্ত
মো: আল-মাহফুজ শাওন: “হৃদয়ে খুলনার” উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিচালিত ‘ফ্রি ক্লিনিক’-এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেন, মানবকল্যাণের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ফ্রি ক্লিনিকটি ইতোমধ্যেই অসহায় এবং সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। আলোচনার সময় অংশগ্রহণকারীরা মত প্রকাশ করেন, সমাজের দরিদ্র এবং চিকিৎসা থেকে বঞ্চিতদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান একটি মহৎ প্রচেষ্টা। “হৃদয়ে খুলনার” এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরো বিস্তৃত হবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। উপস্থিত সকলের পক্ষ থেকে ফ্রি ক্লিনিকের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সফলতা কামনা করা হয় এবং এরূপ মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা আরও মন্তব্য করেন, সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষের সহযোগিতায় এই ফ্রি ক্লিনিক একদিন বিস্তৃতভাবে মানবসেবার কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। শেষে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও শুভকামনা জানানোর ব্যবস্থা করা হয়।
মো: আল-মাহফুজ শাওন: একটি দীর্ঘ সময় ধরে খুলনা মহানগর ও জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কার্যকর নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে দুই ইউনিটের কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর নতুন কমিটি প্রতিষ্ঠার অভাবে সংগঠনগত কর্মকাণ্ডে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। তবে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন নেতৃত্বের দাবিদার নেতাদের মধ্যে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এসময় প্রচণ্ড লবিং, দৌড়ঝাঁপ এবং অভ্যন্তরীণ হিসাব-নিকাশ চলতে রয়েছে। দলীয় সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ব্যাপক যাচাই-বাছাই চলছে। পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ হিসাবে তার প্রভাব নতুন ছাত্রদল নেতৃত্বের নির্ধারণে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৪ মার্চ ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তিকে আহ্বায়ক এবং তাজিম বিশ্বাসকে সদস্য সচিব হিসাবে নিয়ে খুলনা মহানগর ছাত্রদলের কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটি নগরীর ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঁচটি থানা এবং ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে নতুন…
মো: আল-মাহফুজ শাওন: খুলনা মহানগরীতে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করে চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৬। শুক্রবার (৮ মে) রাতে সোনাডাঙ্গা থানার অন্তর্গত এলাকায় অপারেশন চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন, বটিয়াঘাটা উপজেলার ইমদাদুল ইসলামের পুত্র দ্বীন ইসলাম যিনি দ্বীনু নামে পরিচিত, খুলনা সদর থানায় বাবু হাওলাদারের ছেলে হাসিব হাওলাদার, শহিদুল ইসলামের পুত্র আবিদ হাসান যিনি আবুজার নামে অভিহিত, এবং সোনাডাঙ্গা থানার আব্দুল জলিলের পুত্র মো. রাসেল। র্যাব-৬ এর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলে হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা দীর্ঘকাল ধরে মাদকের বিস্তার এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জড়িয়ে ছিল। র্যাব জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বিভিন্ন থানায় রয়েছে। অভিযান শেষে দ্বীন ইসলাম যিনি দ্বীনু, তাকে বটিয়াঘাটা থানায় এবং হাসিব হাওলাদার, আবিদ হাসান যিনি আবুজার, ও মো. রাসেলকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার পর আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
মো: আল-মাহফুজ শাওন: খুলনা মহানগর বিএনপির সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের দ্রুত হস্থতার জন্য দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়ে থাকে। ২৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির পক্ষ থেকে শনিবার মহানগরের সদর থানা বিএনপির সভাপতির অফিসে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন হুমায়ূন ভাই। আরও ছিলেন ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাসুদুল হক হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক জামির হোসেন দীপু, ২৭ নম্বর মহিলা দলের সভানেত্রী ইরিনা আক্তার, সদর থানার বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আব্বাস আলী এবং ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাইজিদ হোসেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, শফিকুল আলম তুহিন খুলনা মহানগর বিএনপির একজন নিবেদিত, পরীক্ষিত ও কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল নেতা। তার দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনায় মহান আল্লাহর কাছে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। এই দোয়া মাহফিলে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি এবং দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
শাহাদাত হোসেন রাসেল, নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মোবাইল ফোনের চার্জ নিতে গিয়ে ১৩ বছরের অতিথি রাণী দাসের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ মে) দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুরুল হাকিম এ তথ্য জনায়। ঘটনার অবতা আগের রাতে শনিবার, উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভুবনের বাড়িতে ঘটে। জানতে পারা গেছে, নিহত অতিথি রাণী দাস গোপাল চন্দ্র জল দাসের কন্যা এবং স্থানীয় চরফকিরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, শনিবার রাতে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি চার্জ দেয়ার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হন অতিথি রাণী দাস। সংযোগে থাকাকালীন তিনি মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তবে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি মারা যান। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে শোকের বাতাবরণ বিরাজ করছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুরুল হাকিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এখানে একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে প্রদান করা হয়েছে।
মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি: নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে পরিবারের সংঘর্ষের কারণে চাচার দ্বারা ভাতিজির মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম জাহানারা বেগম (৪০), তিনি হরিপুর গ্রামের মোঃ ইলিয়াস আলীর স্ত্রী। আজ রবিবার, ১০ই মে, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে এই দু:খজনক ঘটনা ঘটে। শুধু পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, চাচা আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার সঙ্গে তার ভাতিজি জাহানারা বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আজ দুপুরের পরে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর তাদের ঝগড়ার মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং চাচা আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার নিক্ষিপ্ত আঘাতে ভাতিজি জাহানারা বেগম (৪০) গুরুতর আঘাত পান। তাকে দ্রুত পার্শ্ববর্তী হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ সোহেল সিকদার জানিয়েছেন, নিহতের মৃতদেহ নাসিরনগর থানা হেফাজতে রয়েছে এবং বর্তমানে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ ফিরে এসেছে। পরিবারে চলছে কষ্টের চিত্র।
মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিরনগর, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাসিরনগর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত হাওর পরিদর্শন করেছেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। পরিদর্শনকালে তিনি মন্তব্য করেছেন, বিএনপি সরকার কৃষকদের প্রতি গভীর আস্থা রাখে। দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ কৃষি ক্ষেত্রে যুক্ত। তাদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে উৎপাদিত ফসল হারানোর যন্ত্রণায় তাঁরা ভুগছেন। এই সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা। কৃষকদের উন্নতিতে সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার মেদির হাওর পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের এই কথা বলেছিলেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এই সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, জেলা প্রশাসক মো: আবু সাঈদ, নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়া বিকেলে নাসিরনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইনের পরিচালনায় ও জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনাব আবু সাঈদের সভাপতিত্বে একটি চেক হস্তান্তর ও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন জনাব মোঃ আমিনুর রশিদ, মাননীয় কৃষিমন্ত্রী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় সংসদ সদস্য এম এ হান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জনাব মোঃ আব্দুর রহিম। চেক হস্তান্তর ও ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে নিহত কৃষক আহাদ মিয়ার পরিবারের হাতে ২…
মোঃ সুজন আহম্মেদ বিশেষ প্রতিনিধি: “দক্ষ নারীর শক্তি, খামারের উন্নয়ন” এই মূল বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্র্যাক ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রজেক্টের আয়োজনে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মহিলাদের দুধ খামারি হিসেবে আধুনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলার হলরুমে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ১০০ জন মহিলা দুধ খামারি অংশ নেন। প্রশিক্ষণের সময় নারীর ক্ষমতায়ন, দুধ উৎপাদনে মহিলাদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা, সুযোগ এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করা হয়। সেই সঙ্গে আধুনিক পদ্ধতিতে গাভী পালন, স্বাস্থ্যকর দুধ সংগ্রহ এবং খামার পরিচালনার বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের শেষে প্রত্যেক মহিলা দুধ খামারীকে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে দুধ সংগ্রহের নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য বিনামূল্যে একটি করে মিল্ক নেট (দুধ ছাকনি) সরবরাহ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এবং ভেটেরিনারি হাসপাতালের উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. রুমানা আক্তার রোমি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. শারমিন আক্তার এবং উপজেলা সমাজকল্যাণ অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম। প্রশিক্ষণের প্রধান উপস্থাপক এবং প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ডা. ইমরান হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ডেইরির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ডা. মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন এরিয়া ম্যানেজার মো. আসাদুজ্জামান। অংশগ্রহণকারী মহিলা খামারীরা জানান, এই ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর হওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মোঃ সুজন আহম্মেদ বিষেস প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমানিষা ইউনিয়নের শাহনগর গ্রামে অবস্থিত মো. সাখাওয়াত হোসেনের চিলিং সেন্টারে পরিচালিত হয়েছে অভিযান। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এই অভিযানে ভেজাল দুধ তৈরির জন্য ব্যবহৃত এক ড্রাম জেলি ও কাস্টিক সোডাসহ বিভিন্ন কেমিক্যাল উদ্ধার হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, মো. সাখাওয়াত হোসেন দীর্ঘকাল ধরে ভেজাল দুধ তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সেটি বাজারে বিক্রি করছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ৭০০ লিটার ভেজাল দুধ ধরা পড়ে এবং পরে সেটি ধ্বংস করা হয়। অভিযান শেষে মো. সাখাওয়াত হোসেনকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, পাশাপাশি তাকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। আরো একজন তার কর্মচারীকেও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “সাখাওয়াত দীর্ঘ সময় ধরে এই ভেজাল ব্যবসার কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান করে বিপুল পরিমাণ ভেজাল দুধ ও কেমিক্যাল জব্দ করেছি।” এ ঘটনায় এলাকার মানুষদের মধ্যে বিস্তৃত উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদকদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান চলতে থাকবে।
