মোঃ আশরাফজ্জামান খান তরু: ১০/৫/২০২৬ তারিখে সকাল সাড়ে ২০টায় ঢাকা শিক্ষা ভবন থেকে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় সফরে আসেন ফ্যাজিক্যাল অফিসার মোঃ তানজিম আমিন বোরহান। তিনি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং অন্যান্য বিষয়গুলো মূল্যায়ন করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অতি শীঘ্রই আবাসন সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। এছাড়াও তিনি আরও ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করেন। এই সময় প্রধান শিক্ষক মোঃ বদিয়ার জামান তাকে সব ধরনের তথ্য ও সহায়তা প্রদান করেন।
Author: দৈনিক নবদিগন্ত
মোহাম্মদ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভরা দালাল নয়—এ দেশের শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত পেশাজীবীদের স্বার্থে তাদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং একটি নিরাপদ কর্মপরিবেশের জন্য টেকনাফের হ্নীলা মডেল ফারিয়ার উদ্যোগে প্রতিবাদী মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। বক্তাদের মতে, মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভরা জাতির স্বাস্থ্যসেবা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। কিন্তু তাদের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তোলা হচ্ছে, যা মানসিকভাবে অসুন্দর এবং অগ্রহণযোগ্য। তারা এ পেশার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের প্রত্যাশা করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ফারিয়ার উপদেষ্টা আমির হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় ফারিয়ার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসাইন বাপ্পি উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধনের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন হ্নীলা মডেল ফারিয়ার সভাপতি মোকতার হোসাইন সোহেল। সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেন সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদ। এ সময় সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাছানসহ অন্যান্য স্থানীয় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভরা সেখানে ছিলেন। বক্তারা আরও অভিমত প্রকাশ করেন, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত না হলে এই খাতের কর্মীরা বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। তাই তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
মোহাম্মদ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নয়াবাজার অঞ্চল থেকে জানা যাচ্ছে, হাজি মো: হোছাইন এর বাড়িতে রাতে সন্ত্রাসী আক্রমণ, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ও মালামাল চুরির অভিযোগ। অভিযোগে বলা হয়, মো: আলী এবং জামালের নেতৃত্বে কিছু অপরাধী গভীর রাতের অন্ধকারে হাজি হোছাইনের বাড়িতে হামলা করে। খবর পাওয়া যায় যে, তারা মূল দারজা ভেঙে ফেলেছে এবং সন্নিকটে অবস্থিত দোকানে ঢুকে মালপত্র লুট করে নিয়েছে। ঘটনার সময় আশেপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা মিলিত হয়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালায়। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সন্ত্রাসী মো: আলী (পিতা: জকির আহমদ) কে আটক করেছে পুলিশ। তবে অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ভুক্তভোগীরা হামলা ও লুটের সঙ্গে সর্ম্পকিত সকল অপরাধীর দ্রুত গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মোহাম্মদ হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: সমাজে মাদক, জুয়া, সন্ত্রাস এবং অন্যান্য অপরাধের পরিমাণ ক্রমাগত বাড়ছে, তবে এমন অভিযোগ আছে যে, অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিপক্ষে অবস্থান নিতে সাহস করছেন না, যদিও তাদের সক্ষমতা রয়েছে। এদের মতামত হলো, লোকডরের সম্বন্ধে উদ্বেগ বা সামাজিক মর্যাদা হারানোর ভয়ে অনেকেই মাদক ও অন্যায় সম্পর্কে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে ভয় পান। অথচ সমাজের উচ্চ পর্যায়ের লোকদের নীরবতা অপরাধীদের আরও উৎসাহী করে তুলছে। একজন সচেতন নাগরিক জানান,”যারা মরণনেশা মাদক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করছেন না শুধু তাদের পরিস্থিতি বা জনপ্রিয়তা হারানোর ভয়ে, তাদের উচ্চ সামাজিক অবস্থান কোনো শ্রদ্ধার দাবি রাখতে পারে না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, সত্য বলার জন্য বিরোধিতা, সমালোচনা বা নিন্দার শিকার হতে হতে পারে জানলেও, তিনি নিজের অবস্থান বজায় রাখবেন। “নিন্দা আসবে, বাধা আসবে— তথাপি অন্যায়ের মোকাবেলা করতে হবে। আমি হাসিমুখে সকল সমালোচনা গ্রহণ করে নিজেকে প্রস্তুত রেখেছি,” — এই মন্তব্যও করেন তিনি। সচেতন মহল মনে করছে, সমাজে অপরাধ বৃদ্ধির ফলে কেউই নিরাপদ থাকবে না। মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতির বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগকেও বাড়িয়ে দেবে। তাদের ভাষ্যমতে, সময়মতো সমাজের সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষেরকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্য বদ্ধ হওয়া দরকার। নীরবতা কোনো সমাধান নয়;…
সৌরভ দত্ত, কলকাতা: অবস্থান পরিবর্তনের ফলে প্রতীকটি পরিবর্তিত হলো! ‘ব’ মুক্ত বাংলা-সরকারি প্রতীক এখন শুধুই অশোকস্তম্ভ! বিজেপির পশ্চিমবঙ্গে বিজয়ের পর বিশ্ববাংলার প্রতীকটি সরানো হয়েছে। এই পরিবর্তন ঘটিয়েছে বিজেপি সরকার, যারা সরকারি লোগো থেকে ‘ব’ অপসারণ করেছে। ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের সময়, সব সরকারি প্রতীকে ‘ব’ অন্তর্ভুক্ত ছিল। মমতা সরকার এই প্রতীকের ব্যবহার অনুমোদন করেন। যদি প্রতীকটি ব্যবহৃত না হয়, তবে কপিরাইট মমতার কাছে ফিরে যাবে। তৃণমূল আমলে সরকারি সকল চিঠিপত্রে ‘ব’ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ‘ব’ নকশার লোগোয় ছোট আকারে অশোকস্তম্ভের চিত্র ছিল। এবার ‘ব’ তুলে শুধুমাত্র অশোকস্তম্ভের চিত্র দিয়ে লোগো হবে। স্কুলের ইউনিফর্ম থেকে বিভিন্ন স্থানে একই লোগো ব্যবহার করা হয়েছিল। বিজেপির বঙ্গজয়ের ফলে পুরনো বিশ্ববাংলা লোগো বাতিল হচ্ছে। তাপস রায় ফেসবুকে একটি বিবৃতি শেয়ার করেছেন, যেখানে উল্লেখ আছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আনুষ্ঠানিক রাজ্য প্রতীককে জাতীয় প্রতীক অশোকস্তম্ভের সঙ্গে পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে প্রতিটি সরকারি নথিপত্রে এই প্রতীক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করবে। এই প্রতীকটি এখন থেকে পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র সরকারি প্রতীক হিসেবে গণ্য হবে।…
খন্দকার আলী আবীর, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: দশ বছর পূর্বে সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু এর সাথে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এর ফলে পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য ফসল পরিবহনের জন্য একমাত্র সেতু কার্যকরী হচ্ছেনা। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল বিলের কাছে সেতুটি অবস্থান করছে। এদিকে, নির্মাণের একটি দশক পেরিয়ে আসায় সেতুটি দারুণভাবে জীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় অবস্থা পরিদর্শন করলে দেখা যায়, সেতুর চারপাশে চাষের জমি রয়েছে। কিছু জমিতে পাটের চাষ হয়েছে, আবার কিছু জমিতে ধানও মড়া হয়েছে। সেতুর মাঝে বিরাজমান একটি গাড়ী। মানুষ সেতুর নিচ দিয়ে ধানক্ষেতের মাটির মধ্যে দিয়ে চলাফেরা করছেন। নির্মাণের পর থেকে এর ব্যবহার না হওয়ায় সেতুটি অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেতুর দুই পাড়ে শাখা-প্রশাখা উর্বর গাছ গজিয়ে উঠেছে। নানাপ্রান্তে সেতু ভেঙে গেছে। কাদামাটির পথ থেকে ১০ ফুট উঁচু সেতুর দিকে ওঠার জন্য কোন সড়ক নেই। স্থানীয় লোকেরা সেতুর দুই পাশে মাটি দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করেছেন। শুকনো মৌসুমে পায়ে হাঁটা সম্ভব হলেও বর্ষা মৌসুমে চারিদিকে পানি জমানো থাকে। জেলা ত্রাণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৬ টাকায় শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল পাকা রাস্তা থেকে বিল পর্যন্ত জাকারিয়ার বাড়ির নিকটে ২৪ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু তৈরি করা হয়। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছিলেন তৎকালীন লোহাগড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। কৃষির উপর নির্ভরশীল সাধারণ জনগণ কৃষিকাজ থেকে উৎপন্ন পণ্য সংগ্রহ করতে বিপদ নিয়ে ঘাড়ে-মাথায় করে যেতে বাধ্য। যদিও সেতু রয়েছে, তারা ব্যবহার করতে পারছেন না। যদি সেতুর সংযোগ সড়ক তৈরি হতো, তবে গরুর গাড়ি ও ভ্যানে ফসল পরিবহনে তাদের বহুবিধ সুবিধা থাকার কথা। মাকড়াইল গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ আলী মন্তব্য করেন, ‘এখন ধানের মৌসুম চলছে। আমরা গরু গাড়ি বা ভ্যানে করে ধান সংগ্রহ করতে চাই। কিন্তু সেতুর কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। মাথায় অথবা ঘাড়ে করে ধান নিয়ে সেতুতে ওঠা যায় না। দুই পাশে রাস্তা রয়েছে, কিন্তু মাটির অভাবে সেখানে চলাচল করা অসম্ভব। সেতুটি কার্যত গত ১০ বছর ধরে অকার্যকর হয়ে পড়ে আছে। কেউ মাটি দিচ্ছে না।’ মাফুজার খান নামক একজন বলেন, সেতু নির্মাণের ফলে আমাদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। দুই পাশে মাটি নেই। সেতুটি উঁচু হয়ে রয়েছে। সেতু না হলে আমরা পায়ে হেঁটে ধানের বোঝা নিয়ে বাড়িতে ফিরতে পারতাম। অথবা গাড়ির মাধ্যমে ফসল বাড়িতে নিয়ে যেতে পারতাম। বর্তমানে সেখানে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। প্রান্তের গ্রামের সকলের ফসল এ রাস্তা দিয়ে ঘরে তোলার প্রয়োজন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবি এম মনোয়ারুল আলম জানান, নির্মাণের সময় স্থানীয়রা সেতুর জন্য রাস্তার ব্যবস্থা করতে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে জায়গার জটিলতার কারণে রাস্তা আর নির্মিত হয়নি। সেতুর পাশে সড়ক নির্মাণের জন্য নতুন দুইটি প্রকল্প বরাদ্দ হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এই কাজ শুরু হবে। জুনের মধ্যে আমাদের এই কাজটি সম্পন্ন হবে।
মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হলি কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনার জেরে চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনরা। এই ঘটনায় নিহতের পরিবার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছে। মৃত প্রসূতির নাম জান্নাতুল জীম (২১)। তিনি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর আজওয়াটারী গ্রামের মোঃ জহুর আলীর কন্যা। পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল রাতে নাগেশ্বরীর হলি কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জান্নাতুল জীমের সিজারিয়ান অপারেশন করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মোছাঃ রোকেয়া আক্তার বিজলী। অপারেশনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রসূতির স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি ঘটে। এমতাবস্থায়, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ২৭ এপ্রিল তাকে রেফার করার পর তার পরিবার দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরেও তার শারীরিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ডাক্তাররা কিডনি সমস্যা ও প্রস্রাবের নালির জটিলতার কথা জানান বলে পরিবারের দাবি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাইম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ১২ দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ১০…
মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রুবেল মিয়া (৩০) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মে) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের তেলিপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত মায়ের দোয়া হোটেল এর সামনে অভিযানের কার্যক্রম শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চিলমারী মডেল থানার এসআই দিলীপ চন্দ্র বর্মন এবং এসআই আরিফ মাহমুদ আপেল। এই সময় তারা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে রুবেল মিয়াকে আটক করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক রুবেল মিয়া তেলিপাড়া (খড়খরিয়া) এলাকার নুর জামালের সন্তান। পুলিশ জানিয়েছে, আটক হওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৬ হাজার ৮৮০ টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল পাওয়া গেছে। বর্তমানে আটক রুবেল মিয়া চিলমারী মডেল থানায় হেফাজতে আছে। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের স্টোর রুম থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চুরির অভিযোগে দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মারধরের ঘটনায় এক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে হাসপাতাল চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় হাসপাতাল অঞ্চলে উত্তেজনা এবং অস্বস্তি দেখা দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সদ্য বদলি হওয়া স্টোর কিপার মমিনুল ইসলাম এবং বর্তমান স্টোর কিপার মারজান আলি স্টোর রুম থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বের করার চেষ্টা করছিলেন। তখন স্থানীয়রা তাদের সন্দেহের তির দিয়ে আটক করে। এরপর উত্তেজিত কয়েকজন তাদের মারধর করে বলেও জানা গেছে। ঘটনার পর হাসপাতালে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায় এবং পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অথবা প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানানো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওই ঘটনার তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মোঃ আলমগীর হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার: গাজীপুরে একটি দৈত্যকার ও বিস্ময়কর ঘটনার প্রেক্ষাপটে একই স্থানে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে এবং পুলিশ একটি অভিযোগপত্রও উদ্ধার করেছে। উক্ত নথিতে পরকীয়ার সম্পর্ক, পারিবারিক সমস্যা ও অর্থ আত্মসাৎ এর মতো গুরুতর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় তথ্য ও পুলিশের সূত্র অনুসারে, ঘটনাটি গাজীপুর জেলার একটি স্হানে ঘটেছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ও উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। মরদেহ উদ্ধারকালে ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে একটি হাতে লেখা ডকুমেন্ট পাওয়া যায়, যেখানে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিশৃঙ্খলার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাটিকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। এইদিকে, উদ্ধারকৃত অভিযোগপত্রের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এতে উল্লেখিত তথ্যগুলোর সত্যতা ও ঘটনার সাথে তাদের সম্পর্ক নিশ্চিত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ করছে এবং আশপাশের মানুষের সাথেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এ ঘটনার ফলে পুরো অঞ্চলে একটি গম্ভীর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে বিভিন্ন আলোচনা ও মন্তব্য চলছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। এখন তদন্ত চলছে, যাতে জানা যায় পরিবারিক দ্বন্দ্ব বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, পুলিশ এই বিষয়ে কাজ করছে।
