খন্দকার আলী আবীর, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: দশ বছর পূর্বে সেতুটি নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু এর সাথে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এর ফলে পাঁচটি গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য ফসল পরিবহনের জন্য একমাত্র সেতু কার্যকরী হচ্ছেনা। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল বিলের কাছে সেতুটি অবস্থান করছে। এদিকে, নির্মাণের একটি দশক পেরিয়ে আসায় সেতুটি দারুণভাবে জীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় অবস্থা পরিদর্শন করলে দেখা যায়, সেতুর চারপাশে চাষের জমি রয়েছে। কিছু জমিতে পাটের চাষ হয়েছে, আবার কিছু জমিতে ধানও মড়া হয়েছে। সেতুর মাঝে বিরাজমান একটি গাড়ী। মানুষ সেতুর নিচ দিয়ে ধানক্ষেতের মাটির মধ্যে দিয়ে চলাফেরা করছেন। নির্মাণের পর থেকে এর ব্যবহার না হওয়ায় সেতুটি অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেতুর দুই পাড়ে শাখা-প্রশাখা উর্বর গাছ গজিয়ে উঠেছে। নানাপ্রান্তে সেতু ভেঙে গেছে। কাদামাটির পথ থেকে ১০ ফুট উঁচু সেতুর দিকে ওঠার জন্য কোন সড়ক নেই। স্থানীয় লোকেরা সেতুর দুই পাশে মাটি দিয়ে কিছু ব্যবস্থা করেছেন। শুকনো মৌসুমে পায়ে হাঁটা সম্ভব হলেও বর্ষা মৌসুমে চারিদিকে পানি জমানো থাকে। জেলা ত্রাণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে ১৯ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৬ টাকায় শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল পাকা রাস্তা থেকে বিল পর্যন্ত জাকারিয়ার বাড়ির নিকটে ২৪ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু তৈরি করা হয়। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছিলেন তৎকালীন লোহাগড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। কৃষির উপর নির্ভরশীল সাধারণ জনগণ কৃষিকাজ থেকে উৎপন্ন পণ্য সংগ্রহ করতে বিপদ নিয়ে ঘাড়ে-মাথায় করে যেতে বাধ্য। যদিও সেতু রয়েছে, তারা ব্যবহার করতে পারছেন না। যদি সেতুর সংযোগ সড়ক তৈরি হতো, তবে গরুর গাড়ি ও ভ্যানে ফসল পরিবহনে তাদের বহুবিধ সুবিধা থাকার কথা। মাকড়াইল গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ আলী মন্তব্য করেন, ‘এখন ধানের মৌসুম চলছে। আমরা গরু গাড়ি বা ভ্যানে করে ধান সংগ্রহ করতে চাই। কিন্তু সেতুর কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। মাথায় অথবা ঘাড়ে করে ধান নিয়ে সেতুতে ওঠা যায় না। দুই পাশে রাস্তা রয়েছে, কিন্তু মাটির অভাবে সেখানে চলাচল করা অসম্ভব। সেতুটি কার্যত গত ১০ বছর ধরে অকার্যকর হয়ে পড়ে আছে। কেউ মাটি দিচ্ছে না।’ মাফুজার খান নামক একজন বলেন, সেতু নির্মাণের ফলে আমাদের অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। দুই পাশে মাটি নেই। সেতুটি উঁচু হয়ে রয়েছে। সেতু না হলে আমরা পায়ে হেঁটে ধানের বোঝা নিয়ে বাড়িতে ফিরতে পারতাম। অথবা গাড়ির মাধ্যমে ফসল বাড়িতে নিয়ে যেতে পারতাম। বর্তমানে সেখানে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। প্রান্তের গ্রামের সকলের ফসল এ রাস্তা দিয়ে ঘরে তোলার প্রয়োজন। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এবি এম মনোয়ারুল আলম জানান, নির্মাণের সময় স্থানীয়রা সেতুর জন্য রাস্তার ব্যবস্থা করতে রাজি হয়নি। পরবর্তীতে জায়গার জটিলতার কারণে রাস্তা আর নির্মিত হয়নি। সেতুর পাশে সড়ক নির্মাণের জন্য নতুন দুইটি প্রকল্প বরাদ্দ হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে এই কাজ শুরু হবে। জুনের মধ্যে আমাদের এই কাজটি সম্পন্ন হবে।
Author: দৈনিক নবদিগন্ত
মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার হলি কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনার জেরে চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ তুলেছেন নিহতের স্বজনরা। এই ঘটনায় নিহতের পরিবার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছে। মৃত প্রসূতির নাম জান্নাতুল জীম (২১)। তিনি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার কাশিপুর আজওয়াটারী গ্রামের মোঃ জহুর আলীর কন্যা। পারিবারিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ এপ্রিল রাতে নাগেশ্বরীর হলি কেয়ার ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জান্নাতুল জীমের সিজারিয়ান অপারেশন করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মোছাঃ রোকেয়া আক্তার বিজলী। অপারেশনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রসূতির স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি ঘটে। এমতাবস্থায়, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ২৭ এপ্রিল তাকে রেফার করার পর তার পরিবার দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরেও তার শারীরিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ডাক্তাররা কিডনি সমস্যা ও প্রস্রাবের নালির জটিলতার কথা জানান বলে পরিবারের দাবি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাইম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ১২ দিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ১০…
মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রুবেল মিয়া (৩০) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মে) বিকেল প্রায় ৫টার দিকে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের তেলিপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত মায়ের দোয়া হোটেল এর সামনে অভিযানের কার্যক্রম শুরু হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চিলমারী মডেল থানার এসআই দিলীপ চন্দ্র বর্মন এবং এসআই আরিফ মাহমুদ আপেল। এই সময় তারা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে রুবেল মিয়াকে আটক করেন। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক রুবেল মিয়া তেলিপাড়া (খড়খরিয়া) এলাকার নুর জামালের সন্তান। পুলিশ জানিয়েছে, আটক হওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৬ হাজার ৮৮০ টাকা এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল পাওয়া গেছে। বর্তমানে আটক রুবেল মিয়া চিলমারী মডেল থানায় হেফাজতে আছে। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার: কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের স্টোর রুম থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র চুরির অভিযোগে দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মারধরের ঘটনায় এক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। শনিবার (৯ মে) দুপুরে হাসপাতাল চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় হাসপাতাল অঞ্চলে উত্তেজনা এবং অস্বস্তি দেখা দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সদ্য বদলি হওয়া স্টোর কিপার মমিনুল ইসলাম এবং বর্তমান স্টোর কিপার মারজান আলি স্টোর রুম থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বের করার চেষ্টা করছিলেন। তখন স্থানীয়রা তাদের সন্দেহের তির দিয়ে আটক করে। এরপর উত্তেজিত কয়েকজন তাদের মারধর করে বলেও জানা গেছে। ঘটনার পর হাসপাতালে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি বৃদ্ধি পায় এবং পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অথবা প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানানো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওই ঘটনার তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মোঃ আলমগীর হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার: গাজীপুরে একটি দৈত্যকার ও বিস্ময়কর ঘটনার প্রেক্ষাপটে একই স্থানে পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে এবং পুলিশ একটি অভিযোগপত্রও উদ্ধার করেছে। উক্ত নথিতে পরকীয়ার সম্পর্ক, পারিবারিক সমস্যা ও অর্থ আত্মসাৎ এর মতো গুরুতর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্থানীয় তথ্য ও পুলিশের সূত্র অনুসারে, ঘটনাটি গাজীপুর জেলার একটি স্হানে ঘটেছে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ও উত্তেজনা লক্ষ্য করা গেছে। মরদেহ উদ্ধারকালে ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে একটি হাতে লেখা ডকুমেন্ট পাওয়া যায়, যেখানে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিশৃঙ্খলার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যায়। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাটিকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। এইদিকে, উদ্ধারকৃত অভিযোগপত্রের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এতে উল্লেখিত তথ্যগুলোর সত্যতা ও ঘটনার সাথে তাদের সম্পর্ক নিশ্চিত করতে তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আলামত সংগ্রহ করছে এবং আশপাশের মানুষের সাথেও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। এ ঘটনার ফলে পুরো অঞ্চলে একটি গম্ভীর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মাঝে বিভিন্ন আলোচনা ও মন্তব্য চলছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। এখন তদন্ত চলছে, যাতে জানা যায় পরিবারিক দ্বন্দ্ব বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, পুলিশ এই বিষয়ে কাজ করছে।
মোঃ আলমগীর হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার: দেশের সীমান্ত রক্ষায় কুড়িগ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে টহল ও নজরদারি কার্যক্রমকে আরও জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সীমান্তে যে কোনো ধরনের অপ্রত্যাশিত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বাহিনীটি কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ পদের দিকনির্দেশনার আলোকে জেলার প্রধান সীমান্ত এলাকা গুলোতে অতিরিক্ত সজাগ থাকতে বলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত স্থানগুলোতে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তল্লাশি কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। শনিবার সকালে সদর উপজেলার যাত্রাপুর, চর নারায়ণপুর ও ফুলবাড়ী সীমান্ত পরিদর্শন করে দেখা গেছে, কাঁটাতারের বেড়ার চারপাশে বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। একইসাথে সীমান্ত এলাকায় চলাচলরত সন্দেহজনক ব্যক্তির ওপর এবং যানবাহনের ওপর লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক, পিএসসি জানিয়েছেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে। পূর্বে যেখানে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, সেই স্থানগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, সীমান্ত অঞ্চলে টহল কার্যক্রম আগের তুলনায় আরও উন্নত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিজিবি সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত কুড়িগ্রাম সীমান্তের নাগেশ্বরী, ফুলবাড়ী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন স্থানকে বিশেষ নজরদারির আওতাভুক্ত করা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণস্থলগুলো চিহ্নিত…
মোঃ আলমগীর হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার: ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং অন্যান্য অঞ্চলে মুসলিম জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা, হামলা, হত্যা, ধর্ষণ, এবং বাড়িঘর ও ধর্মীয় স্থানগুলিতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এক মানবাধিকার কর্মী। তার মতে, এসব ঘটনার মাধ্যমে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠছে এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করার প্রয়োজন রয়েছে। একটি লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে কোন জনগণের বিরুদ্ধে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে আক্রমণ ডেকা অত্যন্ত মারাত্মক এবং নিন্দনীয়। নিরীহ মানুষের জীবন, সম্পদ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর হামলা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতার অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির বিপরীত। এ ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এবং সঠিক তদন্ত করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন। মানবাধিকার কর্মী জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও বৈশ্বিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান, ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা, পুনর্বাসন ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি আফজাল মিয়া: “ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্টে সিলেট জেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বিশ্বনাথ উপজেলা দল। রোববার (১০ মে) সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে সাথী রাণী দাশ স্মৃতির একমাত্র গোলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা দলকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ উপজেলা দল। তীব্র বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া ফাইনালটি ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ। ম্যাচের ৮ মিনিটে স্মৃতির দুর্দান্ত গোলই নির্ধারণ করে দেয় ম্যাচের ভাগ্য। এর আগে বিশ্বনাথ উপজেলা দল প্রথম রাউন্ডে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা দলকে ৩-০, কোয়ার্টার ফাইনালে কানাইঘাট উপজেলা…
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের পিরোজপুর এলাকায় গভীর রাতে কবরস্থানে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি ও মাটি খোঁড়ার অভিযোগে এক তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে কবরস্থান থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শুনে এলাকাবাসী সেখানে গিয়ে এক তরুণীকে মাটি খুঁড়ে কিছু কার্যক্রম করতে দেখেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ওই তরুণীকে হেফাজতে নেন। পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি কেন সেখানে গিয়েছিলেন বা কী উদ্দেশ্যে এমন কর্মকাণ্ড করছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জন ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের তারাগঞ্জে পুলিশের অভিযানে রিপন বাসফোর (২২) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ২৫ পিস ট্যাপেন্ডাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানা যায়, রিপন তারাগঞ্জ হাটবাজারের মাছ বাজার এলাকায় এসব ট্যাবলেট বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘোরাঘুরি করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ রাত ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গ্রেফতার রিপন বাসফোর তারাগঞ্জ বাজার সুইপার কলোনির বাবুলাল বাসফোরের ছেলে বলে জানা গেছে। তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
