নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধি:
“দেশ হোক সকল প্রাণের নিরাপদ আবাসস্থল,প্রানী শিকারকে না বলুন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে, বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া) এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সারাদেশে প্রাণী রক্ষার উদ্যোগের অংশ হিসেবে, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত বন্যপ্রাণী রক্ষক ফজলে রাব্বীর নেতৃত্বে নাটোর জেলায় ‘বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন'(বাওয়া) এর নাটোর শাখা কার্যক্রম শুরু করেছে।
নাটোর এলাকায় অর্ধশতাধিক সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করেছে, বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা ও তার সহায়তায় প্রাণীজগতের উন্নতির জন্য নিবেদিত এই সংগঠনটি প্রাণীদের সুরক্ষায় কাজ করছে।
সম্প্রতি, সপ্তাহব্যাপী বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন-এর একটি দলের সদস্যরা নাটোরের বিভিন্ন গ্রাম, ইউনিয়ন এবং পৌরসভাসহ অন্যান্য এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
প্রাণীকল্যাণের জন্য এমন সহায়তামূলক উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক আদনান আজাদ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন(বিবিসিএফ) এর কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সবুজ বাংলার সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী, বিএনপি নেতা মিঠুন দেবনাথ, নলডাঙ্গা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন উজ্জল, বিএনপি নেতা মাকসুদুর রহমান সুবির, তারেক জিয়া পরিষদের নলডাঙ্গা উপজিত্র সদস্য সচিব কাজি শাহারিয়ার আহম্মেদ সিহাব, যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম নান্টু রাজ, তারিকুল ইসলাম টিটু, আক্তার সরকার, আকবর আলী, বিএনপি নেতা আরিফুল ইসলাম, শুকুর আলী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ আলম, বিল্লু সরদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা জাহিদুল ইসলাম অমি, পরিবেশ কর্মী শৌমিক, মিজানুর রহমান, শাকিল আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্যরা। সেখানে তারা স্থানীয় জনগণকে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এগিয়ে আসার এবং যত্নসহকারে সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করার আহ্বান জানান।
সচেতনতামূলক সাইনবোর্ডে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী বন্যপ্রাণী শিকার, আটক, ক্রয়-বিক্রয়, দখলে রাখা, পাচার, খাওয়া এবং নির্মমভাবে কোন কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য প্রাণী হত্যা এবং নিষ্ঠুর আচরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরিযায়ী পাখি (অতিথি পাখি) আমাদের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ তারা ক্ষতিকর পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, ফুল ও ফসলের পরাগায়ন করে এবং জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
১৯৭০ থেকে ২০১৮ বছরের মধ্যে প্রায় ৫২% বন্যপ্রাণী পৃথিবী থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে। এই প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে চলছে এবং যদি যথাযথ নিয়ন্ত্রণ করা না হয় তবে খুব শীঘ্রই আমাদের বৈচিত্র্যময় প্রাণী সম্পদের একটি বড় অংশ চিরতরে হারিয়ে যাবে।
বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশ রক্ষাতে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে আহত প্রাণী উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য বিতরণ এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচির মতো কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
অনেকে জানান, তারেক রহমানের এই উদ্যোগ প্রাণী রক্ষায় দেশজুড়ে সমালোচনা সৃষ্টি করেছে, জনগণ এতে প্রশংসার দাবি জানিয়েছে।
