বাগেরহাট প্রতিনিধি:
“জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের কার্যক্রম, ভবিষ্যতের সুরক্ষা” এই থিমকে সামনে রেখে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় যথাযথ সম্মান এবং উদ্দীপনার সঙ্গে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
৮ জুন সোমবার সকালে রামপাল উপজেলা অডিটোরিয়ামে রামপাল এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের প্রযোজনায় এক আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের দিবসের মূল উদ্দেশ্য ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করা এবং বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় বৃক্ষ রোপণ অভিযানের অংশ হিসেবে বৃক্ষ রোপণ, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাস এবং পরিবেশ পরিষ্কার রাখা।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিজ তামান্না ফেরদৌসি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রামপাল। সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন মো: ইনসাদ ইবনে আমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, রামপাল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: শাহিনুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা, রামপাল, রুহুল আমিন সরকার, ন্যাশনাল কোঅর্ডিনেটর – এক্সটারনাল এনগেজমেন্ট, ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আরবান লাইভলীহুড, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, মো: রুহুল আমিন, টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ইন্টিগ্রেটেড লাইভলীহুড, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, ফুলি সরকার, সিনিয়র ম্যানেজার, রামপাল এরিয়া প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেশন অফিস, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং অন্য কর্মকর্তারা। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় শিক্ষক, সাংবাদিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ রামপাল এডিপির কর্মকর্তারা। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজ তামান্না ফেরদৌসি বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ শুধুমাত্র সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি প্রত্যেক নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু করে প্রতিটি বাড়ি এবং স্কুল-কলেজের প্রাঙ্গণ বৃক্ষরোপণের আওতায় আনতে হবে। আমি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বৃক্ষরোপণ এবং পরিচ্ছনতা অভিযানে সাধুবাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, সকলের প্রচেষ্টায় আমরা একটি সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর রামপাল গড়ে তুলতে পারব। এর জন্য যুব সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। রামপাল উপজেলায় ১০০০ পরিবারের মাঝে ৫টি করে ফলের চারা বিতরণ করা হবে। আর ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এ বছর প্রায় পনের লক্ষ বৃক্ষ রোপণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।
