শেরপুরে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা

শেরপুরে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা

তারেক মনোয়ার, বিশেষ প্রতিনিধি:

বগুড়ার শেরপুর থানার এলাকায় এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা চাওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার ভাটরা গ্রামে মৃত আলিমুদ্দিন শেখের ছেলে মোঃ আফছার আলী রোববার (১৭ মে) শেরপুর থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগকারী আফছার আলী একজন ব্যবসায়ী। অভিযুক্তরা, মেহেদী, মিনহাজ, সাইদুল ও এনামুল তার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তারা চাঁদা না দিলে তার ব্যবসা পরিচালনা করতে বাধা দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন, উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগে। পাশাপাশি, চাঁদা দিতে না রাজি হলে আফছার আলীকে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবী করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ অনুসারে, ১ এপ্রিল আফছার আলী ভাটরা গ্রামের নিজ বাড়ি ও গভীর নলকূপ সেচ পাম্প ব্যবসা থেকে শেরপুরের বাসায় ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক সাতটার দিকে ভাটরা পুরাতন ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তার পথ রোধ করে। ওই সময়ে মেহেদী তার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তার ভাই পৌঁছালে তাকেও ব্যাপকভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে মোট ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আসামীও রয়েছে। নামের তালিকা: মেহেদী (৩০), সজিব (২০), মিনহাজুল (২৮), মিন্টু (৩২), সাইদুল ইসলাম (৪৫), আব্দুল মজিদ মন্ডল (৫৫), এনামুল হক (২৫), জাকারিয়া (২৫), শহিদুল ইসলাম (৩৫), ইসমাইল হোসেন (৩৫), আবু তাহের (২৫)।

এই বিষয়ে বাদী আফছার আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, তিনি ফোন রিসিভ করে চাঁদার অভিযোগ সম্পর্কে কথা বলার সময় ফোনটি কেটে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মেহেদী বলেন, “সেদিন গ্রামে মেম্বার, চেয়ারম্যান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আমরাও সেখানে ছিলাম। গ্রামের লোকেরা আফছারের ভাইকে কিছুটা মারধর করেছে, এটাই সত্য। তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ পুরোপুরি অর্পিত।”

অন্য অভিযুক্ত মিন্টু বলেন, “গ্রামের একটি বৈঠককে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে। চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা নেই।”
ঘটনার পর পুলিশ তদন্তের পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।