মোঃ হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রামগতির পোড়াগাছা তথা কাছাকাছি এলাকার কিছু মাদ্রাসায় সরকারের বরাদ্দকৃত চাল কেনা নিয়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠী দ্বারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণার কঠোর নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়েছেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ১নং চরজব্বার ইউনিয়নের জামায়াতের নেতারা।
শনিবার (১৬ মে) পাঠানো পৃথক এক বিবৃতিতে ১নং চরজব্বার ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মুজাহিদুল আহমেদ এবং ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি ডাক্তার আব্দুস সামাদ এই প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, हालिया সময়ে একটি চক্রান্তকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত লাভের জন্য বিষয়টিকে অন্য দিকে মোড়ানোর চেষ্টা করছে। ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ডাক্তার আব্দুস সামাদ সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদপত্রে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সঠিক তথ্য উল্লেখ করে জামায়াত নেতৃবৃন্দ জানান, ডাক্তার আব্দুস সামাদের ছোট ভাই কামাল একজন অনুমোদিত ডিলার। তিনি পুরোপুরি বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, সরকারি নিয়মাবলী এবং প্রয়োজনীয় নথির সাহায্যে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলো থেকে চাল ক্রয় করেছেন। চাল ক্রয়ের জন্য নির্বাচিত মাদ্রাসাগুলো হলো শিক্ষা গ্রাম দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা, আশরাফুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসা এবং ইখলাস নুরানী কওমী মাদ্রাসা।
বিবৃতিতে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয় যে, উক্ত চালের লেনদেনের সকল বৈধ কাগজপত্র, রশিদ এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ যথাযথভাবে সঞ্চিত রয়েছে। তবুও সম্পূর্ণ আইনগত ও বাণিজ্যিক একটি প্রক্রিয়াকে “অবৈধ চাল” বলে চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, প্রশাসন নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তুলে ধরবে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রচারণা চালানো ব্যক্তিদের মুখোশ উন্মোচন করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” পাশাপাশি তারা জনগণকে এই প্রকার বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন প্রচারণাতে কান না দিতে অনুরোধ করছেন।
