জেলা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁপাপুর এলাকার হোল্ডিং নং-২২৬৪/২এর বাসিন্দা মোসাঃ নুরুন নাহার বেগম। তিনি পেশায় একজন শিক্ষিকা হলেও পর্দার আড়ালে করে যাচ্ছেন নানামুখী অনিয়ম ও অপকর্ম। তার নির্মিত একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে সে বাড়িটিতে উঠতি বয়সের ছেলে মেয়েদের দিয়ে নিরবে করে যাচ্ছেন যৌন ব্যবসা,পাশাপাশি করছেন সুদের ব্যবসাও।
কিন্তু তিনি সুদের উপর টাকা লেনদেন করেন এমনটি জেনে সাংবাদিক মোঃ এরশাদ রানার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে ঐ সাংবাদিক তার কাছ থেকে মাসিক তিন হাজার টাকা লভ্যাংশের হারে এক লক্ষ টাকা গ্রহণ করেছিলেন । টাকা গ্রহণের ১বছরের মধ্যে বিভিন্ন ধাপে ৩৬হাজার টাকা পরিশোধ করাও হয়েছিল। এরমধ্যে কোনো মাসে লভ্যাংশের টাকা দিতে বিলম্ব হলে নুরুন নাহার বেগম মোবাইলে সাংবাদিককে হুমকি প্রদর্শন করে থাকতেন।
তার হুমকির ধরণ ছিল তাড়াতাড়ি সুদের টাকা পাঠান না হয় আপনার দেয়া ব্লাঙ্ক চেক-যাহার নাম্বার BS25-B-8407680 তে ৪লাখ টাকা লিখে মামলা দায়ের করবো। এরপর টাকাও দিবেন কারাগারেও যাবেন। সুদি নুরুন নাহার বেগমের এমন আচরণে সাংবাদিক এরশাদ রানা ক্ষিপ্ত হলে সন্ত্রাসের ভয়ও দেখানো হতো। পরে সাংবাদিক এরশাদ রানা তার সহকর্মী দৈনিক জনকণ্ঠ ও মাইটিভির চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা’র) প্রতিনিধিদের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে কথা বললে তারা উভয়ে বিষয়টি সমাধানকল্পে যথাযথ পরামর্শও প্রদান করেছিলেন।
কিন্তু মোসাঃ নুরুন নাহার বেগম সে পর্যন্ত অপেক্ষা না করে অপর এক ব্যক্তি মোঃ ইলিয়াছ মজুমদার, পিতাঃ মৃত মোঃ ছেফায়েত উল্লাহ মজুমদার, মাতাঃমৃত হালিমা খানম, সাং – পনসাহী, পোঃ রহিমানগর, থানাঃ কচুয়া, জেলাঃ চাঁদপুর কে বাদী করে সাংবাদিককে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠায়। যে নোটিশে উল্লেখ থাকে সাংবাদিকের কাছে ৪লাখ টাকা নুরুন নাহার বেগম পাবে।যাহা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মনগড়া টাকার অংক।
এই বিষয়ে পুলিশ সুপার কুমিল্লার কার্যালয়ে সাংবাদিক এরশাদ রানা স্ব-শরীরে হাজির হয়ে একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন।
