মিনার হোসেন খান, পলাশ উপজেলা প্রতিনিধি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ পলাশ আসনের ৫ বারের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
২১ আগস্ট ২০২৬ রোজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি শপথ নেওয়ার পর তিনি পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিশ্চিত হয়েছেন। এর আগে সকাল থেকেই তাঁর মন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পলাশ নির্বাচনী আসনে দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।
রাত ৯টায় উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সোবাহান ভূঁইয়া এলাকায় দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। এছাড়াও পলাশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, ড. আবদুল মঈন খান একজন অভিজ্ঞ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক। এর আগে তিনি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর হাত ধরে পলাশ তথা নরসিংদীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষা-প্রযুক্তির অগ্রগতি ঘটেছিল। পুনরায় তিনি নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ায় এই অঞ্চলসহ দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ।
পলাশ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল বলেন, ড. আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় পলাশবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তাঁর মতো একজন দক্ষ, সৎ ও আন্তর্জাতিক পরিচিত ব্যক্তি হাতে এত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিরাপদ। তাঁর হাত ধরে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন সম্ভব।
ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা বলেন, মঈন খানের মতো একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদের হাতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার মানে নরসিংদী সহ সারাদেশের রাস্তা ও জীবনমানের উন্নয়ন হবে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে তিনবার মন্ত্রী ছিলেন।
এবারসহ ৫ বারের এমপি ও চতুর্থ বারের মতো মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় আল্লাহর কাছে আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। মঈন খান বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যেমন আন্দোলনে ছিলেন। ঠিক একইভাবে বর্তমান বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করবেন বলে বিশ্বাস করি।

