ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সোহাগ ভূঁইয়া

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সোহাগ ভূঁইয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজপথের আন্দোলন, বহু মামলা, রিমান্ডের ভীতিকর অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘকাল ধরে সংগঠনে সক্রিয় থাকার কারণে বিএনপি’র ছাত্ররাজনীতিতে আলোচনাযোগ্য একটি ব্যক্তি হলেন মো. সোহাগ ভূঁইয়া। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক পরিসরে বর্তমান সময় কাটছে আলোচনায়, যেখানে আসন্ন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য এই ছাত্রনেতার শক্ত উপস্থিতি রয়েছে। দলীয় উৎস থেকে, ছাত্রদল ও যুবদলের অনেক নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা সোহাগ ভূঁইয়া প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একজন বিশ্বস্ত তরুণ নেতার তকমা পেয়েছেন। বিশেষ করে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে, বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে তার নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতি তাকে যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসতে সাহায্য করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন। কুমিল্লার এই সন্তান সোহাগ ভূঁইয়ার রাজনৈতিক উত্থানের মূল উৎস রাজধানী ভিত্তিক ছাত্ররাজনীতি। বিএনপি’র অতীতে ২০১৩-১৪ সালে হারতাাল ও অবরোধের কর্মকাণ্ডে তার ভুমিকা ব্যাপক, এর মাধ্যমে তিনি প্রথম…

বিস্তারিত
জীবনসংগ্রামে লড়ছেন তিন বিএনপি কর্মী কচি, আরমান ও বীরবাজ

জীবনসংগ্রামে লড়ছেন তিন বিএনপি কর্মী কচি, আরমান ও বীরবাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: নব্বইয়ের গণ আন্দোলন এবং আওয়ামী লীগের বিপক্ষে আন্দোলনকারীরা বর্তমানে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রচণ্ড চেষ্টা করে তারা সংসার চালানোর জন্য যথেষ্ট অর্থ উপার্জন করতে চাচ্ছেন কিন্তু প্রতিনিয়ত সংগ্রামের মধ্যে রয়েছেন। যশোরের তেঁতুলতলা জাতীয়তাবাদী দুর্গের এই সৈনিকরা বর্তমানে একটি সমাজে ও জীবনযুদ্ধে পরাস্ত হচ্ছে। তারা মামলা ও হামলায় আক্রান্ত। সুদিন এলেও তাদের কেউ চিনে না। আন্দোলন এবং বিপ্লবের অনুরোধে যেন তাদের একটি স্থানও নেই। এই প্রবাহের অংশ হিসেবে তিন বিএনপি কর্মী হচ্ছেন তরিকুল ইসলাম কচি, আরমান হোসেন এবং হাবিবুর রহমান বীরবাজ। প্রথমে তরিকুল ইসলাম কচি (৫১)। তিনি যশোর নগরের ৫নং ওয়ার্ড যুবদল কমিটির সদস্য। তার পিতার নাম শেখ মোহাম্মদ আলী যিনি মৃত এবং মায়ের নাম নূরেমা খাতুন যিনি মারা গেছেন। কচির পৈতৃক বাড়ি ডালমিলে অবস্থিত। কচি বিএনপির基层 কর্মী হিসেবে ২০০৭ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি ১৯৯৭ সালে একটি মাগুরপট্টির ষড়যন্ত্রমূলক শুকুর হত্যা মামলায় গণগ্রেপ্তার হন, যেখানে তার উপস্থিতি ছিল না। অভিযোগ উঠেছে যে আওয়ামী লীগের নেতা ময়েন উদ্দীনের ছেলে রাজু ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে কচিকে এই মামলায় জড়িয়ে দেয়। কচির জেলে যাওয়ার পর তার স্ত্রী আবেদা যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর তার দুটি ছেলে, আশিক আবির এবং একটি মেয়ে আছে, যার বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি মৎস্য শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। বিএনপির রাজনীতি করার ফলে তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে…

বিস্তারিত
বগুড়ায় একটি হত্যা-একটি ছুরিকাঘাত ঘটনা : ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

বগুড়ায় একটি হত্যা-একটি ছুরিকাঘাত ঘটনা : ছাত্রদল ও যুবদলের ৯ নেতা বহিষ্কার

বগুড়ার নন্দীগ্রামে হত্যা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে যুবদল-ছাত্রদলের ৯ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার। পৌর ছাত্রদল সভাপতি পলিনসহ নেতাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তবে ছাত্রদলের সাময়িক বহিষ্কার নোটিশ ঘিরে সমালোচনা চলছে। অনেকের মন্তব্য, সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললেও সাময়িক শব্দটি রহস্যজনক বলে মন্তব্য করছেন। বহিস্কৃতদের আবারওপদে ফেরানোর কূট-কৌশল।…

বিস্তারিত