গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার একটি মাদরাসার সংক্রান্ত ঘটনায় ছাত্রকে বলৎকারের প্রচেষ্টার অনুরোধে শিক্ষক রবিউল ইসলামকে গণধোলাইর মধ্য দিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করেছে জনগণ।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে ১০টার দিকে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া (ফুটানীর বাজার) জামিয়া কারমিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এই ঘটনার সূচনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী মাহাবুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে ওই যুবককে একপ্রকার জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করছিলেন। এক পর্যায়ে, স্থানীয় লোকজন এ ব্যাপারে জানার পর দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।
স্থানীয়দের তথ্য মতে, রবিউল ইসলাম প্রায় এক মাস আগে ওই মাদ্রাসায় কর্মসংস্থা করেছেন। তিনি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুত্র।
মাদরাসাটি সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের শিমুলতাইড় এলাকার রেলওয়ে বানমারি মাঠের পার্শ্ববর্তী স্থানে অবস্থিত। ঘটনার পরপর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বোনারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রতন মিয়া জানান, এই ঘটনাটি জানার পর আমি সেই স্থান পরিদর্শন করে অভিযুক্তকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করি।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর রহমান বলেছেন, স্থানীয় জনসাধারণ অভিযুক্তকে আটক করে রেখেছিল। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ বাহিনী সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ এলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
