এরশাদ রানা (কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি):
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পূর্বাঞ্চলীয় অংশে মাদকের বিস্তার বৃদ্ধি,৬টি বিজিবি ক্যাম্প সদস্যদের চোখে ফাঁকি।
উপজেলার শিবের বাজার,আমানগন্ডা,চৌদ্দগ্রাম,বালুজুড়ী,আনন্দপুর ও জগন্নাথদিঘী (বিজিবি)ক্যাম্পের মতো বিশালাকার আয়তন ঘেঁষে রয়েছে সীমান্ত এলাকা।জেলার সবচেয়ে অধিকতর গুরুত্ব বহন করা ও প্রাচীনতম উপজেলা চৌদ্দগ্রাম।এই উপজেলার পূর্বাঞ্চলে নিশ্চিন্দ্র নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দেয়া হয়েছে তারকাটা,আর সেই তারকাটার নিচ দিয়ে চলছে মাদকের মতো এক ভয়ঙ্কর বস্তু সরবরাহের রমরমা বাণিজ্য।।যেখান থেকে শুরু হয়ে থাকে মাদককারবারিদের বিলাসীতার জীবন,সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত এসব এলাকাগুলো দিয়ে আসছে মাদক,হেরোইন, গাঁজা,ফেনসিডিল, ইয়াবা, মোবাইল ফোন,শাড়ি, লুঙ্গি,চিনি,চা-পাতা সহ অবৈধ অস্ত্র।
জানা গেছে উপজেলার চরলক্ষ্মীপুর,শিবের বাজার,ভাটবাড়ি,সাহেবের টিলা,কৈয়া, কালীকৃষ্ণনগর, কড়ইবন,জামমুড়া,শীতলীয়া,নোয়াবাজার,বর্ধনবাড়ি,ছুপুয়া,দৌলবাড়ি,বাবুর্চি,সৈয়দপুর,আমানগন্ডা,ঘোলপাশা,মতিয়াতলী,বীরচন্দ্রনগর,রাজেন্দ্রপুর,হাড়িসর্দার,নাটাপাড়া,গোমারবাড়ি,রামরায়,পাঁচরা,বৈদ্দেরখীল,সেনেরখীল,জয়ন্তীনগর,আনন্দপুর,বাতিসা,চিওড়া,জগন্নাথদিঘীসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার চিহ্নিত মাদককারবারিরা এই সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধ মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে।
তাদের কাছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সীমান্ত এলাকা যেন বিনোদন কেন্দ্র,একসাথে দল বেঁধে গিয়ে মাদকের বিশাল চালান পুঁজি করে নিয়ে আসে,আসার সময় ভারতের চোরাগোপ্তাদের হাসিমুখে বিদায়ও জানান তারা।সামনে পড়ছে না কোনো রকম বাঁধা, সবকিছুই উন্মুক্ত,ভারতের বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে হেলেদুলে,সুযোগে মাদককারবারিরা দিচ্ছে ফাঁকি।
বিজিবির চোখে মাদককারবারিদের ফাঁকি কিভাবে জানতে চাইলে চৌদ্দগ্রাম বালুজুড়ী ক্যাম্প কমান্ডার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।পরে তিনি বিজিবি কোটবাড়ির (সিও) লেঃ কর্ণেল এজাজ আহম্মেদ এর মুঠোফোন নাম্বার দিয়ে বলেন আপনি উনার সাথে কথা বলুন,তিনি আমাদের সবার প্রধান।সবার প্রধান সিও’কে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও কাংখিত নাম্বারটি আর ব্যবহৃত হচ্ছে না বলে কেটে যাচ্ছে।

