এসকে এম মহসিন রেজাঃ
আজ ২৯ জুলাই, বিশ্ব বাঘ দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে। তবে এই উপলক্ষে আনন্দের পাশাপাশি উদ্বেগের খবরও এসেছে। সর্বশেষ সরকারি জরিপে সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা বেড়েছে।
কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, সংখ্যাগত এই উন্নতির আড়ালে বাঘ এখনো চোরা শিকার, আন্তর্জাতিক পাচারচক্র, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যসংকট এবং আবাসস্থল ধ্বংসের মতো নানা হুমকে রয়েছে।
সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক বাঘের আবাসস্থল। এই বন উপকূলীয় পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যের অন্যতম প্রধান আশ্রয়স্থল। তাই সংরক্ষণবিদদের মতে, বাঘ রক্ষা মানে সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করা।
আরোও পড়ুন
| ৫ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট |
বিভিন্ন সময়ে উন্মোচিত সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সুন্দরবনে অবৈধভাবে প্রায় ২০০টি বাঘ হত্যার ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি।
একই সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শতাধিক বাঘের চামড়া ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ জব্দ করলেও এর নেপথ্যের মূল চোরাকারবারি চক্রের বড় অংশ এখনো ধরার বাইরে। বন বিভাগের কাছে বাঘ হত্যার সম্পূর্ণ পরিসংখ্যানও নেই।

