বাবা বাঁচাও আমি মরতে চাই না, চোখের সামনেই ছেলের মৃত্যু দেখল বাবা

বাবা বাঁচাও আমি মরতে চাই না, চোখের সামনেই ছেলের মৃত্যু দেখল বাবা বাবা বাঁচাও আমি মরতে চাই না, চোখের সামনেই ছেলের মৃত্যু দেখল বাবা

নিহতের নাম যুবরাজ মেহেতা। ২৭ বছর বয়সী এই ইঞ্জিনিয়ার গুরুগ্রামের অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঘন কুয়াশায় গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারের প্রায় ২০-৩০ ফুট গভীর এক নির্মীয়মাণ মলের গর্তে পড়ে যায়। গর্তটি বৃষ্টির পানি ও নোংরা ড্রেনের জল দিয়ে ভর্তি ছিল।

গাড়িটি উল্টে যাওয়ার পর যুবরাজ গর্তের ভেতর থেকে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন। তিনি গর্তের মধ্যে দাঁড়িয়ে ফোনে বাবাকে বলছিলেন, বাবা বাঁচাও, আমি মরতে চাই না। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন সাহায্যের বদলে মোবাইলে ভিডিও ধারণে ব্যস্ত ছিলেন। পাশ থেকে সাহায্য করার চেষ্টা করেন একজন ডেলিভারি বয়, কিন্তু পুলিশ তাকে বাধা দেয় এবং নিজেও পানিতে নেমে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিবারের অভিযোগ, দুর্ঘটনাস্থলে কোন ব্যারিকেড বা সতর্কতামূলক কোনো ব্যবস্থা ছিল না, যেখানে আগে থেকেও দুর্ঘটনা ঘটার ঘটনা ছিল। স্থানীয় প্রশাসন ও নির্মাণ কোম্পানির বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করেছে। যুবরাজের বাবা রাজকুমার মেহতা সংবাদমাধ্যমকে কান্নায় ভেঙে পড়ে জানিয়েছেন, তিনি ছেলের মৃত্যু দেখেছেন এবং সাহায্য করার জন্য নিজেও চেষ্টা করেছিলেন।

পুলিশ ও দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও ডুবুরি না থাকার কারণে উদ্ধার কাজে দেরি হয়। পরে গাজিয়াবাদের এনডিআরএফ এসে ভোর ৪টার দিকে যুবরাজের দেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনার পর ওই এলাকায় দ্রুত ব্যারিকেড বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *