প্রিন্ট এর তারিখ: জুলাই ১, ২০২৬, ১:৩৭ পি.এম. || প্রকাশের তারিখ: জুন ২৩, ২০২৬, ৫:৩৯ পি.এম.

রাজনীতি কোন ভোগের বিষয় নয় – ইলিয়াস হোসেন মাঝি

কলামিস্ট মো: ইলিয়াস হোসেন মাঝি:

রাজনীতি মানবতার উন্নতির জন্য নিবেদিত, এমন মন্তব্য করেছেন নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি।

দেশের রাজনৈতিক লক্ষ্যকে ভিন্নদিকে ঠেলে দিয়েছে কিছু উচ্চাভিলাষী নেতৃবৃন্দ। কল্যাণমুখী ও উৎপাদনশীল রাজনৈতিক ধারা গঠন ছাড়া মানবতার সত্যিকারের মুক্তি সম্ভব হবে না।

কলামিস্ট মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেছেন, প্রতিহিংসায় ভরা রাজনীতি কেবল দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই নয়, সারা জাতিকেও ধ্বংসের দিকে নিয়ে চলে। বর্তমান সময়ে দেশের এই সংকটের মূল কারণ হলো এই প্রতিহিংসার রাজনীতি। ক্ষমতার জন্য একে অপরকে আঘাত করার প্রবণতা আমাদের সামাজিক সম্পর্কগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার পরিবর্তে ক্ষমতাসীনরা প্রতিপক্ষকে নির্মূল করার চেষ্টা করছে, যা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার মৌলিক চেতনাকে প্রতিকূল অবস্থায় ফেলে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি আরও জানাচ্ছেন, দেশের রাজনৈতিক দলের কাছে জনগণ নানা ধরণের মানসিক পরিষ্কারতা, উন্নত স্বাক্ষরতা ও সংস্কৃতির জন্য বারবার আশা করেছে।

মানুষ প্রত্যাশা করে এসেছে, এই দলের মাধ্যমে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি বড় ধরনের উন্মোচন ঘটবে। দেশের বিকাশের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। কিন্তু জনগণের এই আশা যে শুধুমাত্র হতাশায় পরিণত হচ্ছে তা স্পষ্ট।

তরুণ রাজনীতিবিদ আরও বলেন, প্রতিহিংসাপ্রবণ রাজনৈতিক আচরণ দেশের উন্নয়ন ও সংস্কৃতির পথের জন্য একটি বড় মাত্রার বাধা হয়ে উঠেছে। আজ আমাদের সামনে সেই বাস্তবতা প্রতিভাত। যে রাজনৈতিক গঠনগুলোর কাছে হিংসা ও প্রতিহিংসার নীতি রয়েছে, তাদের শাসন কতটা বিধ্বংসী হতে পারে, তা আর কোনো গোপনীয় বিষয় নয়।

নাগরিক কেন্দ্রের সভাপতি ও কলামিস্ট মোঃ ইলিয়াস হোসেন মাঝি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার লড়াই এখন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি অসম প্রতিযোগিতার মধ্যে প্রবাহিত হয়েছে। এই লড়াইয়ে জনগণের কোনো ভূমিকা নেই, তাদের  ভোটের অধিকারকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। দেশে বর্তমানে যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, সেখানে শান্তি এবং সংহতি শুধুই একটি দুর্লভ স্বপ্ন।

তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলমান এই লড়াই কেবল ক্ষমতাসীনতার জন্য নয়, এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের প্রক্রিয়াতেও পড়ছে। উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন দলোক্তিতে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা হারাচ্ছে।