প্রিন্ট এর তারিখ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১০:৩৪ পি.এম. || প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬, ৮:৪১ পি.এম.

একই নাম, একই বোতল—গ্যাভিসল নিয়ে ভেজালের অভিযোগ, সত্যতা যাচাই জরুরি

বিশেষ প্রতিনিধি, সিলেট :

শিশুর জ্বর বা অসুস্থতার সময় একটি ওষুধের বোতল পরিবারের কাছে কেবল একটি পণ্য নয়; এটি সন্তানের সুস্থতার প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। তাই পরিচিত কোনো ওষুধ নিয়ে নকল বা ভেজালের অভিযোগ উঠলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়।

সম্প্রতি ‘গ্যাভিসল’ নামে একটি ওষুধের বোতলকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর নকল বা ভেজালের অভিযোগ উঠেছে। তবে শুধু কোনো ছবি দেখে ওষুধটি নকল বা ভেজাল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়।

ওষুধটির প্রকৃত মান ও বৈধতা নিশ্চিত করতে ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদসংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফলাফল ছাড়া এ ধরনের অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

অভিযোগটি সত্য হলে প্রশ্ন উঠবে—শিশুদের ব্যবহারের ওষুধ সরবরাহ ব্যবস্থায় এমন অনিয়মের সুযোগ তৈরি হলো কীভাবে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত। অন্যদিকে অভিযোগটি ভিত্তিহীন হলে সেটিও দ্রুত পরিষ্কার করা জরুরি, যাতে অযথা জনমনে আতঙ্ক তৈরি না হয়।

বিশেষ করে শিশুদের ওষুধের ক্ষেত্রে মান ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের অনিশ্চয়তা কাম্য নয়। তাই গুজব বা আতঙ্ক ছড়ানোর পরিবর্তে দ্রুত তদন্ত, নমুনা পরীক্ষা এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করা জরুরি।

ভোক্তাদেরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো ছবি বা পোস্ট দেখে আতঙ্কিত না হয়ে ওষুধ কেনার সময় প্যাকেটের নাম, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।