সৌরভ দত্ত, হাওড়া:
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের, তাঁর যুবক বয়স থেকেই। কলকাতায় আসলে তিনি সুযোগ পেলেই বেলুড় মঠ পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সন্ন্যাসী ও প্রেসিডেন্ট মহারাজদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন।
এবার সেই রীতিতে রাজ্যের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ‘অধ্যাত্মচর্চা’য় আগ্রহী হয়ে উঠলেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বৃহস্পতিবার এটি তাঁর প্রথম বেলুড় মঠের সফর। শুভেন্দুর এই সফরে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ডাক্তার নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সন্ন্যাসীরা সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে ভিতরে গিয়ে শুভেন্দু রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অশীতিপর মহারাজের পা ছুঁয়ে তিনি প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক কাজকর্ম তৎপরতার সাথে চলমান রয়েছে। বেলুড় মঠ পরিদর্শন শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হাওড়া শরৎ সদনের উদ্দেশ্যে রওনা হন।সেখানে জেলাস্তরের পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি একটি প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেন। এরপর তিনি দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক আয়োজন করেন বেলুড় মঠে তাঁর উপস্থিতি সন্ন্যাসী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি করে। মুখ্যমন্ত্রীও তাঁদের প্রণাম জ্ঞাপন করে উভয় হাতে স্বীকৃতি জানান।
মঠে পা দেওয়ার পর শুভেন্দু প্রথমে যান মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে। সেখানে তিনি আরতি দেখেন এবং পূজা দেন। পরে স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতির ঘরে গিয়ে তিনি প্রণাম করেন। এরপর একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির ও শ্রী শ্রী মা সারদাদেবীর মন্দিরে গিয়ে পুষ্পাঞ্জলি দেন এবং প্রণাম করেন।
সবশেষে, তিনি মঠের প্রেসিডেন্টের ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কিছু সময় একান্তে কাটান এবং আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। মঠ সূত্রে জানা যায়, শুভেন্দু অধিকারী প্রেসিডেন্ট মহারাজের দীর্ঘজীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন। ছবি সৌরভ দত্ত।

