প্রিন্ট এর তারিখ: জুলাই ১, ২০২৬, ২:৩৭ পি.এম. || প্রকাশের তারিখ: জুন ২৭, ২০২৬, ১১:২৭ এ.এম.

ইতিহাস চর্চা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মে পৌঁছাতে বইয়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

গৌরাঙ্গ বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাকের লেখা ‘ইতিহাসে অমলিন স্মরণীয় দিন’ শিরোনামের বইটির উদ্বোধন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন ২০২৬) সকালের ১০টায় টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের মিলনায়তনে সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ছায়ানীড়’-এর উদ্যোগে এই ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উদার মানবিক চিন্তার লেখক এবং ছায়ানীড় সংগঠনের সভাপতি ড. ইউসুফ খান। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক ও খ্যাতিমান কবি মাহমুদ কামাল।
বঙ্গবন্ধুর লেখক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাককেও সম্মানিত অতিথি হিসেবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে কথা বলেন সাবেক বিভাগীয় প্রধান (অ্যানেসথেসিওলজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আল মামুন এবং প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার গোলাম নবী।

অনুষ্ঠানে কথাবার্তা বলেন ছায়ানীড়ের প্রশাসনিক পরিচালক শাহানাজ রহমান, অধ্যাপক সাদি সালমান, ছবির লেখক আজমির রহমান খান ইউসুফ জাই, এবং তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করেন তাওহীদ। সভাপতিত্ব করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ চাঁদ মিয়া, ছায়ানীড়ের উপদেষ্টা। পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক লুৎফর রহমান।

বক্তারা মন্তব্য করেন যে, ইতিহাসভিত্তিক বইগুলো নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের মুখ্য ভাবনা এবং জাতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা ইতিহাসের সংরক্ষণে গবেষণাধর্মী লেখালেখি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, “ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করতে গবেষণাভিত্তিক বই রচনা এবং পাঠচর্চার কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানাতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”

সংবর্ধিত লেখক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক তুলে ধরেন, “একটি জাতির উন্নয়নে ইতিহাসের ভূমিকা অপরিসীম। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশের উন্নয়নে  সক্রিয় হতে হবে। আমার এই বই সে ভাবনা সকলের মাঝে আনতে রচিত হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার লেখক, সাহিত্যিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণির লোক। পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।