প্রিন্ট এর তারিখ: জুলাই ১, ২০২৬, ২:৩৭ পি.এম. || প্রকাশের তারিখ: জুন ২০, ২০২৬, ৪:০৩ পি.এম.

রংপুরে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতি চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার স্ট্যাম্প-চেক ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র

আখতারুজ্জামানমিলন, নিজস্ব প্রতিবেদক:

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ-এর নির্দেশনায় এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) জনাব সনাতন চক্রবর্তী-এর তত্ত্বাবধানে, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং জালিয়াতি চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।

ডিবির সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (২০ জুন) ২০২৬ সালের রাত ০১:৩০ মিনিটের সময় রংপুর  মহানগরের ধাপ জেল রোডে আরজি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে একটি ভবনে অভিযান চালানো হয়।

অভিযান চলাকালীন নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের আটক করা হয়—

মোঃ তাওরাত আকরাম (২৭), পিতার নাম মোঃ ফেরদৌস আলম, মাতার নাম মোছাঃ তাছরুভা সুলতানা, গ্রামের নাম কামাল কাছনা চিরারমিল, ওয়ার্ড নম্বর ০৬, থানা কোতয়ালী, রংপুর মহানগর। মোঃ বাধন মিয়া (৩৭), পিতার নাম মোঃ মোবারক আলী, মাতার নাম মোছাঃ জোবেদা বেগম, গ্রামের নাম সাতগাড়া, ওয়ার্ড নম্বর ১৭, থানা কোতয়ালী, রংপুর মহানগর। মোঃ সাহেব আলী (২৬), পিতার নাম মৃত মজিবর রহমান, মাতার নাম মোছাঃ সামিউন বেগম, গ্রামের নাম ধাপ মোহাম্মদপুর, ওয়ার্ড নম্বর ০৪, রংপুর মহানগর। মোঃ আতিকুর রহমান (৩৪), পিতার নাম মোঃ ইমদাদুল হক, মাতার নাম মোছাঃ আতেমা খাতুন, গ্রামের নাম তালুক দামোদরপুর, ওয়ার্ড নম্বর ০১, থানা বদরগঞ্জ, জেলা রংপুর। মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৬)। মোঃ হাফিজ আল মামুন (২০), পিতার নাম মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, মাতার নাম মৃত হাফিজা খাতুন, গ্রামের নাম তেলীপাড়া, থানা পার্বতীপুর, জেলা দিনাজপুর।

অভিযান চলাকালীন গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ১৫টি স্ট্যাম্প, ৮টি স্বাক্ষরকারী চেক, ৩টি জাতীয় পরিচয়পত্র, ৪টি মূল সার্টিফিকেট এবং ৫টি স্মার্টফোন উদ্ধার হয়েছে।

উদ্ধার করা বিষয়বস্তু এবং প্রাথমিক তদন্তের ফলস্বরূপ একটি সংগঠিত জালিয়াতি চক্রের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তি ও নেটওয়ার্ক শনাক্ত করার জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রতারণা ও সাইবার অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলতে থাকবে।