সৈয়দ আমান উল্লাহ্, স্টাফ রিপোর্টারঃ
হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে দান-অনুদানের অর্থের ব্যবহার এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরপর দুটি পোস্ট করেছেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. দিনার।
শনিবার (১১ জুলাই ২০২৬) প্রকাশিত তাঁর দুটি পোস্ট ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
প্রথম পোস্টে তিনি নিজের ব্যক্তিগত মতামত উল্লেখ করে লেখেন, “শাহজালালের মাজারের টাকাগুলা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খরচ করলে ভালো হয়। এইটা আমার ব্যক্তিগত মতামত।” সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেওয়া এ মন্তব্যে তিনি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দান-অনুদানের অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
এর প্রায় ছয় ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দান-অনুদানের অর্থের হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। ওই পোস্টে হাজী মো. দিনার লেখেন, শুধু হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের ডেগের টাকা নয়, মাজারের ভেতরে রুমালে, কুয়ার সামনে, হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার এবং ইসকন মন্দিরসহ যেসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দান-অনুদান সংগ্রহ করা হয়, সেসব স্থানের অর্থও প্রশাসনের উপস্থিতিতে সবার সামনে গণনা করা উচিত।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দেওয়া দান-অনুদানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় সর্বত্র সমানভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যদি আর্থিক অনিয়মের সুযোগ থাকে, তবে তা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
হাজী মো. দিনারের এই দুই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তাঁর মতামতের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ ভিন্নমতও তুলে ধরেছেন।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিষয়গুলো হাজী মো. দিনারের ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত বক্তব্য ও মতামতের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।