আখতারুজ্জামান মিলন, নিজস্ব প্রতিবেদক:
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একজন রোগী মৃত্যুবরণ করার প্রতিবেদন নিয়ে রোগীর পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসকদের মধ্যে ঘটিত উত্তেজনা রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করা হয়েছে।
১৩ই জুন, শনিবার, ২০২৬ সালে ভোরবেলা হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন নুরজাহান বেগম (৬২) মারা যান। এসময় তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চিকিৎসকদের ভিতরে তর্কবিতর্ক ও অসুবিধাজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়, ফলে temporarily চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়ে পড়ে। সঙ্গেসাথে, মৃতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় জনগণ হাসপাতালের প্রধান প্রবেশদ্বারের সামনে অবস্থান নিয়ে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে যান চলাচলে বাধা প্রদান করে।
ঘটনার গুরুত্ব বুঝতে পেরে, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ সমস্ত নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানের সাথে এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমানের নিবিড় প্রচেষ্টায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। পুলিশ প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ডাক্তার প্রতিনিধি এবং রোগীর আত্মীয়দের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা চালানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
আলোচনার এক পর্যায়ে মৃতের স্বজনরা তাদের কাজের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিবাদের সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরে মৃতের পরিবার সড়ক অবরোধ তুলে নেয় এবং চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবায় ফিরে যান।
সবার দায়িত্ব হলো জনস্বার্থে স্বাস্থ্যসেবা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে সঠিক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধান চাওয়ার জন্য আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ঘটনার সাপেক্ষে আইনগত কার্যক্রম চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

