Site icon দৈনিক নবদিগন্ত

দীর্ঘ বিরতির পর চালু হলো চিলমারী-রৌমারী নৌরুটের ফেরি চলাচল

দীর্ঘ বিরতির পর চালু হলো চিলমারী-রৌমারী নৌরুটের ফেরি চলাচল

মোঃ আলমগীর হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার:

৫ মাস ২৫ দিন বন্ধ থাকার ফলে বহুমূল্যবান চিলমারী-রৌমারী নৌরুটে ফেরি চলাচল আবার শুরু হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বাড়া ও নাব্যতা পরিস্থিতির উন্নতির কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফেরি পরিষেবা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে উত্তরের যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আকিব সোহেল আকাশ এবং সহকারী ব্যবস্থাপক মো. নুরুন্নবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, বুধবার সকালে রৌমারী ঘাট থেকে ‘কদম’ ফেরিটি চিলমারীর দিকে যাত্রা শুরু করেছে। পরবর্তীতে ‘কুঞ্জলতা’ ফেরিটিও চালু হয়েছে।

প্রথমে সীমিত পরিসরে ফেরি চলাচল আরম্ভ হলেও পরবর্তীতে পুরোপুরি কার্যক্রম চালুর জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

স্থানীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের পর ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ব্রহ্মপুত্র নদে দীর্ঘদিন প্রতীক্ষিত চিলমারী-রৌমারী ফেরি পরিষেবা চালু হয়। তবে শুরু থেকেই নাব্যতা সংকট এই নৌরুটের অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিভিন্ন সময় ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সর্বশেষ গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে এ রুটের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ ছিল।

ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও আশেপাশের জেলার হাজার হাজার মানুষের জন্য ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত যাত্রী এবং পণ্য পরিবহনের সময় এবং মূল্য উভয়ই বেড়ে যায়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতি নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রমের মাধ্যমে নৌপথের দূরত্ব প্রায় ৬ থেকে ৭ কিলোমিটার কমানো হয়েছে। এর ফলে ফেরি চলাচল আরও সহজ, নিরাপদ এবং সময়ের সাশ্রয় হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচলের পরিকল্পনা করেছে বিআইডব্লিউটিসি। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই ঘাট এলাকায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী অঞ্চলের সহকারী ব্যবস্থাপক আকিব সোহেল আকাশ বলেন, ঈদ উপলক্ষে যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ সামলাতে সার্বক্ষণিক ফেরি চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Exit mobile version