প্রিন্ট এর তারিখ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ৬:৩৮ পি.এম. || প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১২:৪১ এ.এম.

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত, ঠাকুরগাঁওয়ে মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাস

রহমত আরিফ, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও মিষ্টি বিতরণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও উল্লাসে মেতে ওঠে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আবহ দেখা যায়।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তৃণমূল থেকে উঠে এসে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুলের নির্বাচিত হওয়াকে নিজেদের জন্য গর্ব বলে মনে করছেন ঠাকুরগাঁওয়ের সব শ্রেণীর মানুষ।

তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রপতি

ছাত্রনেতা থেকে শিক্ষক, পৌর চেয়ারম্যান থেকে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী থেকে বিএনপির মহাসচিব দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা আলমগীর অনেক কিছু পেরিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে জড়ান। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে তিনি সক্রিয় ছিলেন। পরে অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

১৯৮৬ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে রাজনীতিতে পুনরায় আসেন। ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন, এরপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব নেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকারের কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হন।

২০০৯ সালে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

দীর্ঘ এই রাজনৈতিক যাত্রায় তৃণমূলের রাজনীতি থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলছেন, শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতিতে ধাপে ধাপে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির শীর্ষে পৌঁছেছেন। দলের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘসময় দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটে নেতৃত্ব দেবার পর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় তার রাজনৈতিক আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।