আব্দুর রাজ্জাক:
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হন্তনাবাদ গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণচেষ্টা মামলার তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অপর একটি মামলার বাদী মোজাম্মেল হক। বিষয়টি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি স্বামীর পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে মোজাম্মেল হকের স্ত্রী ও প্রতিবেশী আলেয়া খাতুনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি মীমাংসায় স্থানীয়ভাবে সালিশ অনুষ্ঠিত হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, সালিশ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে মোজাম্মেল হক আহত হন। এ ঘটনায় তিনি ২৪ জানুয়ারি জয়পুরহাটের আদালতে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তীতে ২৭ জানুয়ারি আলেয়া খাতুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে বিষয়টির তদন্ত করেন ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন।
মোজাম্মেল হকের অভিযোগ, তদন্তে তার বক্তব্য যথাযথভাবে গ্রহণ করা হয়নি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন ছাড়াই একতরফাভাবে প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, তারা মারামারির ঘটনার কথা জানলেও শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণচেষ্টার বিষয়ে কিছু শোনেননি।
আলেয়া খাতুন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। স্থানীয়ভাবে বিচার না পেয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্য ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

