মো: আল-মাহফুজ শাওন:
আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যে, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের প্রতিবাদে খুলনায় একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা থেকে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয় এবং ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেওয়া হয় সংগঠনের নেতাদের পক্ষ থেকে।
প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি। তিনি উল্লেখ করেন যে, একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ হোসেনের বিরুদ্ধে ভুল তথ্য ছড়িয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও সংগঠনগত সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এসব অপপ্রচার সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
সভায় বক্তারা জানান, ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের সময় খুলনা নগরীর নিরালা মোড়ে ভাঙারি মালামাল পরিবহণকারী একটি মিনি পিকআপের ওপর লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে মো. আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনের সদস্যরা যৌথভাবে সেই পিকআপটি উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের কাছে যথাযথ ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখেন। কিন্তু বর্তমানে একটি গোষ্ঠী তার সঙ্গে সেই ঘটনার সম্পৃক্ততা জড়িয়ে পিকআপ ছিনতাইয়ের অভিযোগ ছড়ানোর মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
বক্তারা আরো দাবি করেন, জনকল্যাণ ও সামাজিক কর্মসূচিতে সংগঠনের সক্রিয় অংশগ্রহণ কিছু গোষ্ঠীর স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করেছে যে তারা সংগঠনের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য অপপ্রচারের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে থাকে, তবে সংগঠনটি সড়কে কঠোর কর্মসূচি চালু করতে বাধ্য হবে।
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অপপ্রচারকারীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনের মধ্যে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তারা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এবং অন্যান্য মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানও।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর দপ্তর সম্পাদক মো. মেহেদি হাসান নাঈম, প্রচার সম্পাদক মো. রুবেল হোসেন, জেলা কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুম বিল্লাহ ও সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
সভা শেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, সত্যকে আড়াল করে মিথ্যার সাহায্যে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না। সংগঠনের সুনাম নষ্টের প্রয়াসের বিরুদ্ধে তারা একত্রিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন এবং প্রয়োজন হলে কঠোর কর্মসূচির সূচনা করবেন।