দেশের উপকূলীয় ও দক্ষিণের ছয়টি স্থানে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার রাত ১টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া আসতে পারে। এ সময়ে এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার সময় নৌযান চলাচলে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বুধবার সকালে প্রকাশিত আবহওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলে একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে, যা পরবর্তীতে আরও তীব্র হতে পারে। একই সাথে দেশে মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে।
এর কারণে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে দেশে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এছাড়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এমন পূর্বাভাসে বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকার মানুষের, নদীপথে চলাচলকারী নৌযানের ও জেলেদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সময় প্রয়োজন ছাড়া খোলা জায়গা ও নদীপথে না থাকার পরামর্শও রয়েছে।