সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের দিয়ে কাজ করানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পানির ট্যাংক পরিষ্কার করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তৃতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
শিক্ষার্থী ইয়ামিম হোসেন বলেছেন মেডাম নাজমুন নাহার আমাদের কয়েকজনকে সাদের উপর পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে বলেন, তখন তারে হাত লাগলে ইয়ামিন হোসেন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল ২২শে জুলাই বুধবার সকাল ১০টার দিকে শ্যামনগর উপজেলার ১২০ নং দক্ষিণ ছোটকুপট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে কিছু শিক্ষার্থীকে নিয়ে পানির ট্যাংক পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছিল। এ সময় বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ইয়ামিম হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হন। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবর্তে危险 কাজ করার জন্য ব্যবহার করা কখনোই সঠিক নয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই দায়িত্বহীন আচরণে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো বলেও তারা মন্তব্য করেন।
এলাকাবাসী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
| শ্যামনগরে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে লিডার্সের অবহিতকরণ সভা |
উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলান উদ্দিন বলেছেন, বাচ্চার চিকিৎসা চলছে, হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম।
এ দিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: এনামুল হক জানিয়েছেন, আমি বিষয়টি জেনেছি, নিজে হাসপাতালে গিয়ে বাচ্চাকে দেখে এসেছি এবং উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: আলমগীর হোসেনকে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলেছি। ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।