Site icon দৈনিক নবদিগন্ত

বালিয়াকান্দিতে যুবদল নেতাকে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বালিয়াকান্দিতে যুবদল নেতাকে ঘিরে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা, রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি:

রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলা যুবদল সদস্য সচিবকে নিয়ে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রতিবাদ হিসেবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে উপজেলা যুবদল।

শনিবার দুপুরে বালিয়াকান্দির ওয়াবদা মোড়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ কামরুজ্জামান কামরুল।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতিতে নিয়োজিত রয়েছি, পরে উপজেলা তরুনদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং যুবদলের কাউন্সিলের সদস্য সচিব পদে সুনামের সাথে দলের কার্যক্রম পরিচালনা করছি। বিগত ১৬ বছরে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছি। রাজনৈতিক নানা মামলায় হাজতে থেকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, ১২ জুন প্রকাশিত একটি পত্রিকায় ‘যুবদল নেতার বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ’ শিরোনামে যে খবর ছাপা হয়েছে,   তা সম্পূর্ণ মিথ্যা , ভিত্তিহীন এবং কাল্পনিক। আমি কখনো ছাত্রলীগের রাজনীতি করিনি। কিন্তু সংবাদে আমার নাম বাবা ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যা মিথ্যা। সংবাদে উল্লেখ আছে যে, আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মুরাদকে মারধর করেছি, সেটাও সত্য নয়। তাদের মধ্যে কোনো মারধর বা বিরোধের ঘটনা ঘটেনি। সংবাদে উল্লেখিত সবকিছু পুরোপুরি ভুয়া এবং ভিত্তিহীন।

কামরুজ্জামান কামরুল জানান, এইসব অভিযোগের মধ্যে এ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও আমি জড়িত নই। ক্লিনিকের পক্ষ থেকে চাঁদাবাজির খবরও সম্পূর্ণ অপ্রমাণিত। আমার রাজনৈতিক সুনাম কলঙ্কিত করার জন্য এবং আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার কারণে আমার রাজনৈতিক

প্রতিপক্ষের সঙ্গে এক হয়ে মিথ্যা ও কাল্পনিক সংবাদ প্রচার করেছে। আর আমার আর্থিক অসচ্ছলতার যে উল্লেখ করা হয়েছে, সেটাও সঠিক নয়।

তিনি বলেন, বালু উত্তোলন, এ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, মারধর ও সাংবাদিক নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর যদি কোনো সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানাচ্ছি সব সাংবাদিকদের। পাশাপাশি আমি মিথ্যা, অযৌক্তিক ও কাল্পনিক খবরের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এসময় উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিজান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, সোহাগ, এবং ক্লিনিক মালিক অসিত কুমার রায়, দেবব্রত রায়, অসিত সরকার, জাহাঙ্গীর আলম আনিস বক্তব্য রাখেন।

ক্লিনিক মালিকগণ বলছেন, আমাদের কাছ থেকে কখনও কোনো চাঁদাবাজি বা শালিসের নামে টাকা নেওয়া হয়নি। এই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মুরাদ বলেন, অফিসে আমার সঙ্গে কোনো মারামারি হয়নি। কোথাও কোনো অভিযোগ করতে হয়নি। কিছু কথাবার্তা হয়েছিল, তা আমরা দ্রুত মিটিয়ে ফেলি। এ বিষয়ে আমার কোন অভিযোগ নেই।

Exit mobile version