মোঃ রেজাউল করিম, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি:
মাদারীপুর সদর উপজেলার ঝাউদী ইউনিয়নের পশ্চিম টুবিয়া গ্রামের একটি ঘটনায় পাওনা টাকা নিয়ে সংঘর্ষের ফলস্বরূপ রোকসানা (৩৮) নামে একটি গৃহবধূকে মারধর করার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি পশ্চিম টুবিয়া গ্রামের অধিবাসী এবং এমদাদ ফকিরের স্ত্রী।
নিঃসঙ্গ রোকসানা জানালেন, ১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, দুপরে প্রায় ১২ টার দিকে রবিউল, মুক্তা, হাওয়া, নুরুজ্জামান এবং অন্যান্য কয়েকজন লাঠি, তাৎক্ষণিক অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়ির সামনে উপস্থিত হয়। এ সময় রবিউল, যার অন্য নাম (যয়), তাদের সকলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ওকে মার দিয়ে শেষ করে দাও”।
রোকসানা উল্লেখ করেন যে, রবিউলের আদেশ পাওয়ার সাথে সাথে অভিযুক্তরা তাকে অমানবিকভাবে মারধর করতে শুরু করে। একপর্যায়ে মারধরের চাপ নিতে না পেরে তিনি ফসলের জমিতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে যখন তার জ্ঞান ফিরেছিল, তখন তিনি বুঝতে পারেন যে, তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভুক্তভোগী জানান, তার স্বামী এমদাদ ফকির একজন নির্মাণ শ্রমিক। তিনি রবিউলের জন্য ভবনের দ্বিতীয় তলার নির্মাণ কাজ চুক্তি করেছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী একতলার ছাদ ঢালাই এবং দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ হলেও পাওনা টাকা প্রদান করা হয়নি এবং রবিউল নানা কারণে চুক্তি থেকে বিরত থাকছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রোকসানা দাবি করেন, একজন শ্রমিকের অধিকার নিয়ে মার্ডার এ ঘটনার অবতারণা। তিনি আরও জানান, বিতর্ক সৃষ্টি হওয়া ভবনে বসবাস করলেও মূল ভবনের মালিক রবিউলের খালাত ভাই শাহজালাল, যিনি ইতালিতে থাকেন।
এই ঘটনায় ন্যায্য তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করণের প্রস্তুতি চলছে।

