নরসিংদী পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম আল মাসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ৫ জনকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করেছে পলাশ থানা পুলিশ।
১৫ আগষ্ট ২০২৬ রোজ শনিবার সকালে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল-মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নরসিংদীর পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ নজরদারিতে ও প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাত ৩ টায় কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর ঠাকুরপাড়া এলাকার হোটেল গ্রীন প্যালেস থেকে এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাফাদি মির্জা বিজয়সহ মোট ৫ জনকে সিপিএসসি নরসিংদী, র্যাব-১১ এর সহায়তায় গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলেও জানান তিনি। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাফাদি মির্জা বিজয় (২৫), শাহ আলম ফকির (৩০), রিফাত ওরফে বাবু ফকির (২২), তুষার (২৫) ও মেহেদী (২০) – সকল আসামীর বাড়ি পলাশের ডাঙ্গা ইউনিয়নের হাসানহাটা (ফকিরবাড়ী) গ্রামে।
উল্লেখ, গত (২ আগস্ট) রাত অনুমান পৌনে দুইটার দিকে পলাশের ডাঙ্গা ইউনিয়নে হাসানহাটা (ফকিরবাড়ী) এলাকায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আসামী সাফাদি মির্জা বিজয় সহ তার সহযোগীরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ডাঙ্গা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম আল মাসুম ও তার সঙ্গী জয়নাল মাস্টার, মামুন আহম্মেদ, আমজাদ, কাউছার, মামুন, আকাশ, রুবেল ও ইমরানের ওপর হামলা চালিয়ে গুলি বর্ষণ করে। এতে ইব্রাহিম আল মাসুম (৩৩) গুলিবিদ্ধ হন এবং অন্যান্যরা গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে আহত ইব্রাহিম আল মাসুমকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে (পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) ভর্তি করা হলে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় মাসুম মারা যান। এ ঘটনায় পলাশ থানায় নিহত মাসুমের শ্যালক হাসান মহসিন বাদী হয়ে (গত ৪ আগস্ট) ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।