প্রিন্ট এর তারিখ: জুলাই ১, ২০২৬, ৪:১২ পি.এম. || প্রকাশের তারিখ: জুন ২৯, ২০২৬, ১২:২০ এ.এম.

অপহরণকারীদের পরিকল্পনা ব্যাহত করেছে র‍্যাব, নিরাপদে ভূক্তভোগী

মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

‘বাংলাদেশ আমার গর্ব’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পুনঃঅভিযোগ, মাদক তৈরি বন্ধ, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, ক্লুলেস হত্যার রহস্য উন্মোচন এবং গুরুতর অপরাধী ও অপহরণকারীদের আইনের আওতায় আনতে মূল ভূমিকা পালন করে আসছে। এলিট ফোর্স হিসেবে র‍্যাবের এই অবিচল অভিযান সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে রেখেছে।

এই প্রেক্ষিতে, র‍্যাব-১৫, সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প) একটি দক্ষ অভিযানিক দল দীর্ঘ ২৪ দিন ধরে নিখোঁজ এবং অপহৃত একজন ভিকটিমকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধার হওয়া ভিকটিম মোঃ ইমতিয়াজ আলম (৫২) নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পৌরসভার নয়াটোলার (ডাঃ সাহান রোড) বাসিন্দা মৃত খুরশিদ আলমের পুত্র। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার সদরের পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের অধিবাসী।

শুরুতেই অনুসন্ধান ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ০৪/০৬/২০২৬ ইং তারিখে রাত ১০:৪৫ নাগাদ ভিকটिम মোঃ ইমতিয়াজ আলম অজ্ঞাত অপরাধীদের দ্বারা অপহৃত হন। পরবর্তী সময়ে ভিকটিমের স্ত্রী কর্তৃক দায়ের করা আবেদনের ভিত্তিতে উখিয়া থানায় একটি নিয়মিত অপহরণ মামলা রুজু করা হয়।

মামলা দায়েরের পর থেকে র‍্যাব-১৫ এর সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প) অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার এবং অপহরণকারীদের গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি ও তদন্ত কার্যক্রমকে বর্ধিত করে। এরই প্রেক্ষিতে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাবের অভিযানিক দল সম্ভাব্য গোপন স্থানগুলোতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের চাপে পড়ে এক পর্যায়ে অপহরণকারীরা ভিকটিমকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ফলস্বরূপ, আজ ২৮/০৬/২০২৬ ইং সময় বেলা ১৫:৩০ নাগাদ ভিকটিম মোঃ ইমতিয়াজ আলম র‍্যাব-১৫, সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প) এসে উপস্থিত হন।

উদ্ধার হওয়া ভিকটিম বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ এবং নিরাপদ অবস্থায় আছেন। র‍্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ভিকটিমকে উখিয়া থানার পান বাজার পুলিশ ক্যাম্পে সুস্থ অবস্থায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, র‍্যাবের অভিযানিক দলের উপস্থিতি বুঝতে পেরেই জ্ঞানী অপহরণকারীরা কৌশলে পালিয়ে যায় ফলে ঘটনাস্থলে কারও গ্রেফতারের সম্ভবনা হয়নি। ওই অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের শনাক্তকরণ ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-১৫ এর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।