টেকনাফে চলতে থাকা অপহরণ, মানবপাচার, সীমান্ত এলাকার সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রভাব এবং জননিরাপত্তার পরিস্থিতি নিয়ে টেকনাফ সমিতি চট্টগ্রামের সিনিয়র সিটিজেনদের সঙ্গে ‘নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন টেকনাফ–উখিয়া’র প্রতিনিধিদের সৌজন্য বৈঠক হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত বৈঠকে টেকনাফের অতীত ও বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি, অপহরণ, মানবপাচার, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং এসব কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে টেকনাফের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সামাজিক ঐক্য ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
বৈঠকে নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলনের প্রতিনিধিরা বলেছিলেন, এটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, জনস্বার্থভিত্তিক ও প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আন্দোলন। দেশীয় দল-মত নির্বিশেষে টেকনাফ–উখিয়ার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণই এই উদ্যোগের মূল শক্তি।
| পলাশে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা |
টেকনাফ সমিতি চট্টগ্রামের সিনিয়র সদস্যরা বলেন, টেকনাফ তাদের জন্মভূমি। জন্মভূমির নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষায় তরুণদের পাশাপাশি তারাও পাশে থাকবেন। জনকল্যাণমূলক এই উদ্যোগে টেকনাফের বৃহত্তর স্বার্থে মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
বৈঠকে টেকনাফ সমিতি চট্টগ্রামের সভাপতি মুক্তার আহমেদের নেতৃত্বে সমিতির সিনিয়র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে নিরাপদ সীমান্ত আন্দোলন টেকনাফ–উখিয়ার চার সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
বৈঠক শেষে টেকনাফের নিরাপত্তা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভবিষ্যতে একত্রে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দুই পক্ষ।