বিজিবি’র অভিযানে ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার টেকনাফ কলেজ পাড়া এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে হাশিম (৫৬), গ্রেপ্তার। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান ও সব ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীন দমদমিয়া বিওপি চেকপোস্টে নিয়মিত যানবাহন পরীক্ষা করে ০১ জন আসামিসহ ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার (৩০০ এমএল) এবং ০১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
গত ২১ জুলাই ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ২২১০ ঘটিকায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর অধীন দমদমিয়া বিওপি চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা বিজিবি সদস্যরা চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফগামী পালকি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (কক্সবাজার-জ-১১-১৪৪৪) নিয়মিত পরীক্ষা চালান।
পরীক্ষার সময় বাসের পেছনের আসনে বসা একজন যাত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা টহলদলের সহায়তায় তার আসনটি ভালোভাবে পরীক্ষা করেন। পরীক্ষার এক পর্যায়ে ওই যাত্রীর সিটের পাশে রাখা একটি কালো ব্যাগের ভেতর থেকে ৪৮ ক্যান হান্টার বিয়ার (৩০০ এমএল) উদ্ধার হয়। পরে অবৈধ মাদকদ্রব্য বহনের কারণে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে আটক করা হয়।
ক। হান্টার বিয়ার (৩০০ এমএল) – ৪৮ ক্যান।
খ। মোবাইল ফোন – ০১টি।
সর্বমোট আনুমানিক সিজার মূল্যঃ ১৭,০০০/- (সতেরো হাজার) টাকা।
ক। মোঃ হাশিম (৫৬), পিতা-মৃত জামাল হোসেন, মাতা-মৃত কুলসুমা খাতুন, গ্রাম-কলেজ পাড়া, পোস্ট-টেকনাফ, ০৬ নং ওয়ার্ড, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার।
| টেকনাফে র্যাবের অভিযানে অপহরণ মামলার প্রধান আসামিসহ আটক ২ |
৩। অধিনায়ক, টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) বলেন, “বিজিবি সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পাচার এবং সীমান্ত এলাকায় অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সবসময় সতর্ক ও কার্যকর রয়েছে। মাদক ও চোরাচালান দমনে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল, চেকপোস্টভিত্তিক পরীক্ষা এবং বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও চলতে থাকবে।”
উল্লেখ্য, আটককৃত আসামি মোঃ হাশিম পূর্বেও টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) কর্তৃক হান্টার বিয়ার বহনের জন্য আটক হয়েছিল এবং বর্তমানে সে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত রয়েছে।
আটককৃত আসামি ও জব্দকৃত মাদকদ্রব্য নিয়মিত মামলার মাধ্যমে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।