Close Menu
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ
  • সত্য প্রকাশে নির্ভীক প্রত্যয়
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি
Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
Breaking News
  • ইন্দোনেশিয়ায় জিম্মির মুক্তিপণ আদায়ে যশোরে মানবপাচার মামলার আসামি আটক
  • প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
  • তাহিরপুরে উন্নয়ন ও জনসেবায় সবার সহযোগিতা চান নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ রিপামনি দেবী
  • নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলা না নেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন
  • নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, হাসপাতালে দুই পক্ষের সংঘর্ষ
  • নোবিপ্রবিতে মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
  • রূপগঞ্জে বিদেশি পিস্তল-রামদাসহ কিশোর গ্যাং লিডার ‘কুত্তা শ্রাবণ’সহ গ্রেপ্তার ৪
  • পত্নীতলায় আওয়ামী লীগের ‘নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ
  • সত্য প্রকাশে নির্ভীক প্রত্যয়
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি
Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
দৈনিক নবদিগন্তদৈনিক নবদিগন্ত
Live
Saturday, October 17
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ
Facebook X (Twitter) Instagram
দৈনিক নবদিগন্তদৈনিক নবদিগন্ত
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ
Home | আন্তর্জাতিক | ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার কমে কি আসছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার কমে কি আসছে

অনলাইন ডেস্কBy অনলাইন ডেস্ক06/03/2026 আন্তর্জাতিক No Comments5 Mins Read
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার কমে কি আসছে
Share
Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email
🖨️ News Print

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার দেশের হাতে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের কার্যত অফুরান ভান্ডার আছে। আর ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, যুক্তরাষ্ট্র যেমন ভাবছে, তাদের শত্রুকে প্রতিরোধ করার সক্ষমতা তার চেয়েও বেশি।

শুধু অস্ত্রের ভান্ডার আর সরবরাহের ওপরে এই সংঘাতের ফলাফল নির্ধারিত হবে না, তবে নিশ্চিতভাবেই অস্ত্রের সংখ্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক।

যেমন— অস্ত্র আর গোলাবারুদের সংখ্যার দিক থেকে রাশিয়া ইউক্রেনকে অনেক আগেই পেছনে ফেলে দিয়েছে। তবু যুদ্ধ চলছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের এবারের যুদ্ধ প্রথম থেকেই জোরালো মাত্রায় শুরু হয়েছে। দুই পক্ষই যত দ্রুত অস্ত্র ব্যবহার করছে, তত তাড়াতাড়ি অস্ত্র আবারও উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না।

তেল আবিবভিত্তিক ইনস্টিটিউট অব ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ বা আইএনএসএসের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইল ইতোমধ্যে ২ হাজারেরও বেশি হামলা চালিয়েছে। প্রতিটিতে একাধিক বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে।

আইএনএসএস বলছে, ইরান ৫৭১টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে আর ১৩৯১টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো লক্ষ্যে পৌছনোর আগেই প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

যুদ্ধ যদি দীর্ঘদিন ধরে চলে, তাহলে দুই পক্ষের জন্যই এই পর্যায়ের লড়াই চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডার:

পশ্চিমা কর্মকর্তারা বলছেন, তারা দেখতে পাচ্ছেন যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের হার যে কমে আসছে। যুদ্ধের প্রথম দিনে যেখানে শয়ে শয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছিল ইরান, এখন তা মাত্র কয়েক ডজনে এসে দাঁড়িয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের কাছে আনুমানিক দুই হাজারেরও বেশি স্বল্প-দূরত্বের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছিল।

কোনো সামরিক বাহিনীই তাদের হাতে নির্দিষ্টভাবে কত অস্ত্র আছে, সেই সংখ্যাটা প্রকাশ করে না। প্রতিপক্ষকে অন্ধকারে রাখার জন্যই এই তথ্য গোপনীয় রাখা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল ড্যান কেইন বুধবার বলেছেন যে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার হার প্রথম দিনের তুলনায় ৮৬ শতাংশ কমে গেছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্ট-কম বলছে, মঙ্গলবার থেকে বুধবারের মধ্যেই সংখ্যাটা ২৩ শতাংশ কমেছে।

ধারণা করা হয়, ইরান যুদ্ধ শুরুর আগেই একমুখী আক্রমণ চালাতে সক্ষম শাহেদ ড্রোন হাজার হাজার সংখ্যায় উৎপাদন করেছে।

এই ড্রোনের প্রযুক্তি তারা রাশিয়ার কাছে রফতানিও করেছে। রাশিয়া এই শাহেদ ড্রোনগুলোর নিজস্ব একটি ভার্শন তৈরি করে ইউক্রেনের ওপরে বিধ্বংসী হামলা চালাচ্ছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও এটার নকল করেছে।

তবে কেইন বলছেন, ইরানের ড্রোন আকাশে ওড়ানোর সংখ্যাও যুদ্ধের প্রথম দিনের তুলনায় ৭৩ শতাংশ কমে গেছে। শুরুর দিকে যে উচ্চমাত্রায় হামলা চালাচ্ছিল ইরান, সেটা ধরে রাখতে এখন সম্ভবত পরিস্থিতি বুঝতে হচ্ছে তাদের।

আবার হামলার সংখ্যা দ্রুত কমে আসার একটি কারণ এটাও হতে পারে যে, তারা চেষ্টা করছে অস্ত্র মজুত করে রাখতে। তবে উৎপাদনের হার ধরে রাখাটা আরও কঠিন।

যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরাইলের যুদ্ধবিমান এখন ইরানের আকাশে আধিপত্য চালাচ্ছে। ইরানের বিমান-প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রায় পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। কোনো কার্যকরী বিমান বাহিনীও দেশটিতে আর নেই।

সেন্ট-কম বলছে, যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ে নজর দেওয়া হবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন উৎক্ষেপণের স্থাপনাগুলো, তাদের অস্ত্রের মজুতগুলো খুঁজে বের করা এবং দেশটির যে-সব কারখানায় এইসব অস্ত্র উৎপাদন করা হয়, সেগুলোকে ধ্বংস করার ওপরে।

এখন ইরানের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েলের পক্ষে সহজতর হবে। তবে তাদের সব অস্ত্রভাণ্ডার ধ্বংস করা কঠিন হবে।

ফ্রান্সের তিনগুণ বড় দেশ ইরান। আকাশ থেকে নজরে পড়বে না- এমনভাবে অস্ত্রভাণ্ডার লুকিয়ে রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব।

আকাশপথে যুদ্ধের সীমাবদ্ধতা সাম্প্রতিক অতীতে দেখা গেছে। দুই বছর ধরে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ করে এখনো ইসরাইল গাজা ভূখণ্ডে হামাসকে ধ্বংস করতে পারেনি।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও এক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণের মধ্যেও টিকে আছে, একইভাবে টিকে আছে তাদের কিছু অস্ত্রও।

যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ভাণ্ডারের কী অবস্থা:

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখনো বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে আছে। অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে তাদের হাতে চিরাচরিত অস্ত্রের মজুত বেশি।

তবে মার্কিন বাহিনী এখনো বেশি নির্ভর করে নির্ভুলভাবে আঘাত করতে পারে, এমন ব্যয়বহুল অস্ত্রের ওপরে। এগুলো আবার কম সংখ্যায় বানানো হয়।

ট্রাম্প এসপ্তাহের শেষের দিকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে একটি বৈঠক ডেকেছেন। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য তাদের ওপরে চাপ তৈরি করা হতে পারে। এর থেকে বোঝা যায় যে, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারে টান পড়ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এখন স্বল্পদূরত্বে হামলা চালানোর জন্য কিছুটা সুবিধা পেয়েছে বলে তাদের অস্ত্র ভাণ্ডারের ওপরে কিছুটা চাপ কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেইন বলেছেন যে টমাহক ক্রুজ মিসাইলের মতো দামি আর অত্যাধুনিক লম্বা দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পর্যায় থেকে এগিয়ে গেছে। মার্কিন বিমানবাহিনী এখন তুলনামূলকভাবে কম মূল্যের জেডিএএম বোমার মতো অস্ত্র ব্যবহার করছে। এগুলো লক্ষ্যবস্তুর ওপরে সরাসরি নিক্ষেপ করা যায়।

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সঙ্গে যুক্ত অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন মেরিন কর্নেল মার্ক ক্যানসিয়ান বলছেন যে, অনেক দূর থেকে প্রাথমিক হামলা চালানোর পরে যুক্তরাষ্ট্র এখন তুলনামূলক কম দামি ক্ষেপণাস্ত্র আর বোমা ব্যবহার করতে পারে।

তিনি বলছেন যে, এভাবে চললে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে। যত বেশি দিন যুদ্ধ গড়াবে, লক্ষ্যবস্তুর সংখ্যাও ছোট হয়ে আসবে। অর্থাৎ যুদ্ধের মাত্রাও ধীরে ধীরে কমে আসবে।

আকাশ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা:

মার্ক ক্যানশিয়ান বলছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হাজার হাজার জেডিএএম বোমা আছে, তবে বহুমূল্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ কম। সংঘাতের শুরুর দিকে সেগুলো ব্যবহার করা জরুরি ছিল, যাতে ইরানের জবাবি হামলার ঝুঁকি প্রতিহত করা যায়।

প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা খুবই বেশি ছিল – শুধু যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে নয়, তার আরব-মিত্র দেশ এবং ইউক্রেনেরও চাহিদা ছিল। ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী প্রতিটা প্যাট্রিয়ট মিসাইলের দাম পড়ে ৪০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি।

মনে করা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর প্রায় ৭০০ টির মতো প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করতে পারে। ইরানের পক্ষে যদি এখনো ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করার ক্ষমতা থেকে থাকে, তাহলে এই সীমিতসংখ্যক প্যাট্রিয়টের মজুদেও টান পড়বে।

সিএসআইএসের বিশেষজ্ঞ ক্যানশিয়ানের হিসাব অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রায় ১৬০০টি প্যাট্রিয়ট মিসাইল আছে। এই সংখ্যাটা সম্প্রতি কমে এসেছে।

তিনি বলছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বিমান থেকে ভূমিতে যুদ্ধ দীর্ঘ সময় ধরে চালাতে পারে, তাহলে বিমান প্রতিরোধের লড়াই আরো অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

ক্যানশিয়ান বলেন, ‘যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্যাট্রিয়টের সংখ্যা আরও কমিয়ে ফেলতে চান, তাহলে আমার মতে ইরানিদের পরাস্ত করতে পারব আমরা – তবে সেক্ষেত্রে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যদি কোনো সংঘাত তৈরি হয়, তখন সমস্যা তৈরি হবে।’

অস্ত্রের মজুত নিয়ে যে একটা চিন্তা আছে, সেটা স্পষ্ট। কারণ ট্রাম্প এ সপ্তাহের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জোর দিয়ে বলেছেন, ‘ইরান আমাদের বিরুদ্ধে টিকতে পারবে না’।

অস্ত্রের দিক থেকে এই কথাটা তিনি সম্ভবত ঠিকই বলেছেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ইরান ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্র

Keep Reading

2 Mins Read

ইন্দোনেশিয়ায় জিম্মির মুক্তিপণ আদায়ে যশোরে মানবপাচার মামলার আসামি আটক

1 Min Read

প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

2 Mins Read

তাহিরপুরে উন্নয়ন ও জনসেবায় সবার সহযোগিতা চান নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ রিপামনি দেবী

Add A Comment
Leave A Reply

আরোও পড়ুন

ইন্দোনেশিয়ায় জিম্মির মুক্তিপণ আদায়ে যশোরে মানবপাচার মামলার আসামি আটক

খুলনা 24/09/2026

প্রেসক্লাব যশোরের নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

24/09/2026

তাহিরপুরে উন্নয়ন ও জনসেবায় সবার সহযোগিতা চান নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ রিপামনি দেবী

24/09/2026

নোয়াখালীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলা না নেওয়ার অভিযোগে মানববন্ধন

24/09/2026

একটি নির্ভরযোগ্য বাংলা সংবাদ ও তথ্যভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে পাঠকদের জন্য সঠিক, নিরপেক্ষ এবং সময়োপযোগী তথ্য প্রকাশের চেষ্টা করা হয়।

Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
গুরুত্বপূর্ণ লিংক
  • সত্য প্রকাশে নির্ভীক প্রত্যয়
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি
জনপ্রিয়
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারা দেশ
  • যোগাযোগ

নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ জাকির হোসেন

 

প্রধান কার্যালয়ঃ 

শেরশাহ্ নিউ মার্কেট ২য় তলা, শেরপুর বগুড়া।

© 2026 দৈনিক নবদিগন্ত. All Rights Reserved
  • সত্য প্রকাশে নির্ভীক প্রত্যয়
  • About Us
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • গোপনীয়তা নীতি
  • Disclaimer
  • সম্পাদকীয় নীতি
  • সংশোধন নীতি

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.